আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে সব বোমারু বিমান সরিয়ে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে সব বোমারু বিমান সরিয়ে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

ফন্ট সাইজ:

বৃটেনের সামরিক ঘাঁটি আরএএফ ফেয়ারফোর্ড থেকে সব বোমারু বিমান সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশ যে ঘটনার তদন্ত করছে, সেই ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে গ্লুচেস্টারশায়ারের এই বিমানঘাঁটি। রোববার মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঘাঁটিতে থাকা সব বোমারু বিমান যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিজ নিজ ঘাঁটিতে ফিরিয়ে নিয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। কেন বোমারু বিমানগুলো সরিয়ে নেয়া হয়েছে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কোনো কারণ জানায়নি। ২৭শে সেপ্টেম্বর বিমানঘাঁটির কাছে তিনটি ‘সন্দেহজনক যানবাহন’ দেখতে পাওয়ার পর পুলিশকে সতর্ক করা হয়। এর পরপরই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঘাঁটির কাছে প্রথমে পাঁচ ব্যক্তিকে সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে তাদের পুলিশি জামিনে ছেড়ে দেয়া হয়। এরপর বৃটেন ও ইরানের দ্বৈত নাগরিক ২৫ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তাকেও পরে জামিনে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আরএএফ ফেয়ারফোর্ডের ওই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন ওই সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে দাবি করেনি হোয়াইটহলের সূত্রগুলো। বিবিসি জানিয়েছে, এটি রাজনৈতিক নয়, বরং সামরিক সিদ্ধান্ত ছিল। কার্যক্রম পরিচালনার পর্যায়েই সিদ্ধান্তটি নেয়া হয় এবং মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের বৃটেনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানায়। বৃটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

ঘটনার কয়েক দিন পর প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেন, এই ঘটনায় ইরানের ভূমিকা থাকার ‘জোরালো ইঙ্গিত’ রয়েছে। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তেহরান অবশ্য এই ঘটনায় কোনো ধরনের সম্পৃক্ততার কথা জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে। প্রাথমিকভাবে ভোররাতে ২৩ থেকে ২৫ বছর বয়সী পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় মার্কিন বিমানবাহিনী পরিচালিত ঘাঁটির দিকে কয়েকটি যানবাহন যেতে দেখা যাওয়ার পর পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। গ্রেপ্তার পাঁচজনই লন্ডনের বাসিন্দা বৃটিশ নাগরিক।