টলিউড অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায় ফের ঝিমলি চরিত্রে ফিরছেন ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’তে। চরিত্রটি এবার দর্শকের কাছে আরও পরিচিত। তাই আগের চেয়ে দায়িত্বও বেড়েছে বলে মনে করেন অভিনেত্রী। শুটিংয়ের আগে ‘বহুরূপী’র প্রথম পর্বটি আবার দেখেছেন তিনি। চরিত্রের ভাষা ও উচ্চারণ স্বাভাবিক করতে বারবার অনুশীলনও করেছেন। তবে ঝিমলি হয়ে ওঠার পথটা সহজ ছিল না। প্রতিদিন প্রায় দুই কেজি মেকআপ নিতে হয়েছে কৌশানীকে। এই সাজ করতে সময় লাগতো প্রায় দুই ঘণ্টা, আবার মেকআপ তুলতেও একই সময় প্রয়োজন হতো। গরমে শুটিংয়ের সময় অনেকবার মেকআপ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নতুন করে টাচআপ করতে হয়েছে বলেও জানান তিনি। অভিনয় জীবনে সমালোচনা ও ট্রোলিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়েও কথা বলেন কৌশানী।
তার মতে, সমালোচনা করা সহজ, কিন্তু কারও জায়গায় দাঁড়িয়ে তার কষ্ট বোঝা কঠিন। একসময় কাজের সুযোগ কম থাকলেও এখন ভালো চরিত্র পেয়ে নিজেকে প্রমাণ করতে পারছেন বলে জানান তিনি। বনি সেনগুপ্তের সাফল্য নিয়েও তার কোনো অনিরাপত্তা নেই। বরং বনি আরও বড় জায়গায় যাক, সেটিই চান কৌশানী। দু’জনের সম্পর্কের জায়গাটি খুব শক্ত বলেও জানান তিনি। পুজোয় সপ্তমী পর্যন্ত ‘বহুরূপী’ নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন অভিনেত্রী। এরপর কয়েকটি সন্ধ্যা পরিবারের সঙ্গে কাটাতে ফোন বন্ধ রাখার পরিকল্পনা করেছেন। বাবা-মা’কে বাড়ি উপহার দেয়াকেও নিজের জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি হিসেবে উল্লেখ করেন কৌশানী। শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাকেও বড় শিক্ষা হিসেবে দেখছেন তিনি। তার অভিনয় দেখে প্রতিবারই নতুন কিছু শেখার সুযোগ
পান কৌশানী।
