কয়েক মাসে ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে জার্মানির আগ্রহের বিষয়ে উল্লেখযোগ্য হারে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র থেকে শুরু করে স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক বিভিন্ন ব্যবস্থা। এই উদ্যোগে যুক্ত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন, তুরস্ক ও ইসরাইলসহ বিভিন্ন অংশীদার। দেখে মনে হচ্ছে, জার্মানি তার পুরো সামরিক বাজেটই ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় করতে চায় এবং পশ্চিম ইউরোপের প্রধান ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে।
সামরিক কর্মসূচি এগিয়ে নিতে জার্মানির আর্থিক প্রতিশ্রুতি নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশটি প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় ব্যাপকভাবে বাড়াচ্ছে। ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে জার্মানিতে প্রায় ২০০টি নতুন প্রতিরক্ষা শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে আরও প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠান আত্মপ্রকাশ করেছে। এর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ রাইনমেটাল। প্রতিষ্ঠানটি আর্টিলারি গোলাবারুদের উৎপাদন বছরে প্রায় ৭০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১৫ লাখ শেলে উন্নীত করেছে। আগামী ছয় বছরে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এ ছাড়া জার্মানি সরাসরি তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার চেষ্টা করছে এবং যৌথভাবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের কারখানা স্থাপনের বিষয়েও আগ্রহ দেখাচ্ছে।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে জার্মানি এমন নতুন স্থলবাহিনী গড়ে তুলছে, যারা সম্ভাব্য শত্রুর ভূখণ্ডের গভীরে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম হবে। কার্যত এর মাধ্যমে বুন্ডেসভেরের (জার্মান সামরিক বাহিনী) মধ্যে একটি ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা হচ্ছে। একদিকে, এই সম্প্রসারণ ন্যাটোর আঘাত হানার সক্ষমতা বাড়াবে এবং হাজার হাজার কিলোমিটার দূরের সম্ভাব্য হুমকির বিরুদ্ধে আরও নমনীয়ভাবে প্রতিক্রিয়া জানানোর সুযোগ তৈরি করবে। অন্যদিকে, এ ধরনের আক্রমণাত্মক সক্ষমতা সহজেই সামরিক আধিপত্য ও হেজেমনি প্রতিষ্ঠার ধারণাকে উৎসাহিত করতে পারে। ইতিহাসে জার্মানির ক্ষেত্রে এর নজিরও রয়েছে।
জার্মানির নতুন কৌশলের কেন্দ্রে টমাহক
জার্মানির এই নতুন কৌশলের অগ্রভাগে থাকবে মার্কিন টাইফুন এমআরসি (মিড-রেঞ্জ ক্যাপাবিলিটি) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। এতে থাকবে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, যার পাল্লা সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার। বুন্ডেসভের এই ক্ষেপণাস্ত্র কেনার জন্য প্রায় ৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ইউরো বরাদ্দ করার পরিকল্পনা করেছে। এর মাধ্যমে জার্মান সামরিক বাহিনী কৌশলগত সুবিধা পাবে। সম্ভাব্য সম্মুখসীমার বহু দূরে থাকা কমান্ড সেন্টার, বিমানঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট, সরবরাহকেন্দ্র এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে পারবে তারা। জার্মানির এই সামরিক শক্তি বাড়ানোর প্রধান যুক্তি অবশ্যই ‘পূর্ব দিকের হুমকি’ মোকাবিলা ও প্রতিরোধ। লেখকের মতে, এটি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির মতোই। রাশিয়ার ন্যাটোতে হামলার কোনো ইচ্ছা নেই- এমন দাবি সত্ত্বেও বিষয়টি যেন গুরুত্ব পাচ্ছে না। বরং সামরিক শক্তি বাড়ানো ও সামরিক ব্যবস্থাকে জোরদারের জন্য এটি একটি সুবিধাজনক অজুহাত ও সমর্থন জোগাড়ের স্লোগান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে লেখক মনে করেন। প্রযুক্তিগতভাবে জার্মান ভূখণ্ড থেকে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ইউরোপীয় রাশিয়ার কেবল কিছু অংশে পৌঁছাতে পারবে। তবে বার্লিনের উচ্চাকাক্সক্ষা এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার চেয়েও অনেক বড়।
ইউক্রেনের ‘ফ্লেমিঙ্গো’ নিয়েও আগ্রহ
জার্মানির ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে আগ্রহ এতটাই বেড়েছে যে বুন্ডেসভের এমন কিছু তুলনামূলক অপ্রচলিত প্রকল্পও খতিয়ে দেখছে। এর মধ্যে রয়েছে ইউক্রেনের ‘ফ্লেমিঙ্গো’ ও ‘বার্স’ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ‘অ্যানথেম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্প। আসলে ইউক্রেনের ফ্লেমিঙ্গো ক্ষেপণাস্ত্রকে মার্কিন টমাহকের সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবেও বিবেচনা করা হয়েছে। এর পাল্লা ৩ হাজার কিলোমিটার। অর্থাৎ টমাহকের চেয়ে বেশি। এর ওয়ারহেড বা বিস্ফোরক মাথার ওজনও ১ হাজার ১৫০ কেজি, যা এই শ্রেণির ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। তবে মূল প্রশ্ন হলো, প্রায় ১০ মিটার দীর্ঘ এই ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারবে কি না। এ পর্যন্ত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, ইউক্রেনীয় বাহিনী যে ফ্লেমিঙ্গো ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছুড়েছে, তার বেশির ভাগই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে প্রতিহত করা হয়েছে। এটা লেখকের দাবি। জার্মানি নিজেদের ভূখণ্ডে বার্স ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করতেও প্রস্তুত, তবে মূলত রপ্তানির উদ্দেশ্যে। এই উদ্যোগ ব্যবসায়িক প্রকল্প, নাকি দেশের নিজস্ব অস্ত্রভাণ্ডারে কৌশলগত বিনিয়োগ- তা এখনো স্পষ্ট নয়। জার্মান সামরিক কর্মকর্তাদের কাছে বার্স ক্ষেপণাস্ত্র খুব বেশি আকর্ষণীয় নাও হতে পারে। কারণ এটি মূলত ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় সস্তা ও সরল একটি বিকল্প হিসেবে কাজ করে।
অ্যানথেম: বছরে এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র?
আরেকটি উল্লেখযোগ্য প্রকল্প হলো মার্কিন-ইসরাইলি স্টার্টআপ কোভেন্যান্টের তৈরি অ্যানথেম দীর্ঘপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। সম্প্রতি রয়টার্স জানিয়েছে, জার্মানি ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটারের বেশি পাল্লার এবং ২০০ কেজির বেশি ওজনের ওয়ারহেড বহনে সক্ষম একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যাপারে আগ্রহী। এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোভেন্যান্ট জার্মানিতেই অ্যানথেম ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের প্রস্তাব দিয়েছে। বুন্ডেসভের কর্মকর্তাদের কাছে এটি আগ্রহের বিষয় হয়ে থাকতে পারে। কারণ প্রতিষ্ঠানটি বছরে ১ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের সক্ষমতার কথা বলছে। এত বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সম্ভব হবে সরল নকশা এবং তুলনামূলকভাবে সীমিত কর্মক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। স্বাভাবিকভাবেই এখানে স্টেলথ প্রযুক্তির কোনো কথা নেই। মূলত এটি সস্তা দীর্ঘপাল্লার কামিকাজে ড্রোনের একটি বিকল্প। চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে জার্মানি নিজস্ব ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পেয়ে যাবে।
যুদ্ধজাহাজেও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা
তবে এখানেই শেষ নয়। বুন্ডেসভের আরও কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্প বিবেচনা করছে। ১ সেপ্টেম্বর জার্মান প্রতিষ্ঠান টিকেএমএস নিশ্চিত করেছে যে টাইপ এফ১২৭ আকাশ প্রতিরক্ষা ফ্রিগেটে বায়ুমণ্ডলের বাইরের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সক্ষমতা থাকবে। এই শ্রেণির প্রথম ফ্রিগেট ২০৩০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে জার্মান নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে এসএম-২ ব্লক ৩আইসি এবং এসএম-৬ ব্লক ১ ইন্টারসেপ্টর থাকবে। জাহাজটি আকার ও সক্ষমতার দিক থেকে একটি ক্রুজারের সঙ্গে তুলনীয় হবে। এর দৈর্ঘ্য ১৭৮ মিটার, প্রস্থ ২৪ মিটার এবং ওজন ১২ হাজার টনের বেশি হবে। এর অস্ত্রভাণ্ডারে থাকবে ৯৬টি এমকে ৪১ ভার্টিক্যাল লঞ্চ সিস্টেম বা ভিএলএস সেল। এগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার অস্ত্রের পাশাপাশি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও রাখা যাবে। এ ধরনের অন্তত পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশ্ন উঠতে পারে—তুলনামূলকভাবে ছোট বাল্টিক অঞ্চলের জন্য এত শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাসম্পন্ন একটি নৌবহরের প্রয়োজন কেন?
জার্মান ফ্রিগেট থেকে ইসরাইলি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা
সেপ্টেম্বরের শুরুতে জার্মান নৌবাহিনী এফ১২৫ শ্রেণির একটি ফ্রিগেট থেকে প্রথমবারের মতো ইসরাইলি লোরা (লং রেঞ্জ অ্যাটাক) ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ চালায়। এই পরীক্ষা মূলত প্রদর্শনমূলক ছিল। ক্ষেপণাস্ত্রের কনটেইনারগুলো সাময়িকভাবে ‘জাক্সেন-আনহাল্ট’ ফ্রিগেটের পেছনের অংশে বসানো হয়েছিল। পরীক্ষায় দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। একটি জার্মান ফ্রিগেটের ওপর আমেরিকান এটিএসিএমএসের মতো দেখতে ইসরাইলি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উপস্থিতি নিঃসন্দেহে বেশ অস্বাভাবিক দৃশ্য। এই পরীক্ষা দেখিয়ে দেয়, বুন্ডেসভের মার্কিন অস্ত্র ব্যবস্থার বিকল্প খুঁজতেও আগ্রহী। এ ছাড়া ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আধুনিক ও অত্যন্ত নির্ভুল। এগুলোর পাল্লা ৯০ থেকে ৪৩০ কিলোমিটার এবং সার্কুলার এরর প্রোবাবিলিটি বা সিইপি ১০ মিটারের কম। এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র খুব শিগগির বুন্ডেসভের স্থলবাহিনীতেও যুক্ত হতে পারে- এমন সম্ভাবনাও রয়েছে।
জার্মানিতেই তৈরি হবে এটিএসিএমএস
একই সময়ে মার্কিন কোম্পানি লকহিড মার্টিনের সঙ্গে যৌথভাবে এটিএসিএমএস ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জার্মানি। রাইনমেটাল আশা করছে, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ অথবা ২০২৭ সালের শুরুতে তারা প্রথম অর্ডার পাবে। জার্মানির উন্টারলুসে প্রতিষ্ঠানটির কারখানায় উৎপাদন স্থাপনের জন্য ইতোমধ্যেই একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে এটিএসিএমএস ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম উৎপাদন। উৎপাদন শুরু হতে পারে ২০২৮ থেকে ২০২৯ সালের মধ্যে। ইউরোপে এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের চাহিদা ৬০০ থেকে ৮০০ ইউনিট বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তুরস্কের ক্ষেপণাস্ত্রেও বার্লিনের আগ্রহ
এ ছাড়া তুরস্কের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতেও আগ্রহ দেখাচ্ছে বার্লিন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জার্মানি তুরস্কের হাইপারসনিক প্রকল্প এবং বিশেষ করে ‘ইলদিরিমহান’ দীর্ঘপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়ে আগ্রহী। এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা সর্বোচ্চ ৬ হাজার কিলোমিটার বলে দাবি করা হচ্ছে। তুরস্কের জন্য জার্মানিকে ক্রেতা হিসেবে পাওয়া অত্যন্ত আকর্ষণীয় সম্ভাবনা। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়্যিপ এরদোগান এবং তুরস্কের অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো এমন একটি অর্ডার পাওয়ার জন্য আগ্রহী থাকবে।
তাহলে এত ক্ষেপণাস্ত্র কেন কিনছে জার্মানি?
কিন্তু প্রশ্ন হলো, জার্মানি ক্ষেপণাস্ত্রের প্রতি এতটা আগ্রহী হয়ে উঠছে কেন? আর বৃটেনের সঙ্গে পারমাণবিক সহযোগিতার আড়ালে বার্লিনের নীতিনির্ধারকদের একটি অংশ কি পারমাণবিক উচ্চাকাক্সক্ষা লালন করছে? ‘পূর্ব দিকের হুমকি’র ধারণার কারণে মার্কিন পারমাণবিক নিরাপত্তার ছাতা বা ‘নিউক্লিয়ার আমব্রেলা’ বদলে দেওয়ার চিন্তা এখনো জনপ্রিয়। আর প্রতিরক্ষা কোম্পানি ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধির পক্ষের ব্যক্তিরা নিঃসন্দেহে এসব উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছেন। কিন্তু অর্থায়ন যদি একসময় শেষ হয়ে যায়, তখন কী হবে? অথবা আরও খারাপ কিছু হলে—এই ‘চেখভের বন্দুক’ যদি ‘পরবর্তী অঙ্কে’ সত্যিই গর্জে ওঠে, তখন কী ঘটবে?
(লেখক একজন সামরিক বিশেষজ্ঞ, মিলিটারি রাশিয়া প্রকল্পের প্রতিষ্ঠাতা ও লেখক। অনলাইন আরটি থেকে তার লেখার অনুবাদ)
আরটি’র নিবন্ধ
ক্ষেপণাস্ত্র পেলেই কিনছে জার্মানি, কীসের প্রস্তুতি নিচ্ছে বার্লিন?
দিমিত্রি কর্নেভ
বিশ্বজমিন
১ ঘন্টা আগে
১ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার), ২০২৬, ১২ঃ৫২ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
