১৩ ওভারে ১১২ রানের টার্গেট দিয়েও বোলারদের ব্যর্থতায় পাকিস্তানকে আটকাতে পারলো না বাংলাদেশ। বিশেষ করে মোস্তাফিজুর রহমান ছিলেন একেবারে ব্যর্থ। তার দুই ওভারে ৪১ খরচায় ম্যাচ হাতছাড়া হয় বাংলাদেশের। ৯ বল বাকি থাকতে চার উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। আগামীকাল রবিবার প্রথম বারের মতো সোনা জেতার লড়াইয়ে নামবে পাকিস্তান।
টানা কয়েক দিনের বৃষ্টির পর গতকাল থেকেই নাগোয়ার আকাশে ঝলমলে রোদ। আজ সকালেও কড়া রোদ ছিল। তারপরও মাঠের ভেজা আউটফিল্ডের কারণে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সেমিফাইনাল শুরু হতে বিলম্ব হলো দেড় ঘণ্টা। কমে আসে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে দাঁড়ায় ১৩ ওভারে। টসে হেরে আগে ব্যাট করে সাত উইকেট হারিয়ে ১১১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।
লিটন, ইমন, তানজিদের ব্যর্থ হলেও দারুন ব্যাটিং করেছেন তৌহিদ হৃদয়। মুলত তার ২৫ বলে ৪২ রানের ইনিংসে পাকিস্তানকে ১১২ রানের টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ। এবার বোলারদের পালা।
বাংলাদেশের ম্যাচ দেখতে সকালেই গ্যালারিতে হাজির হন নাগোয়ায় বসবাসরত কয়েক হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি। কর্মব্যস্ত দিন হওয়া সত্ত্বেও কেউ ছুটি নিয়ে, কেউ ক্লাস বাদ দিয়ে ছুটে এসেছেন স্টেডিয়ামে। কড়া রোদ উপেক্ষা করে তারা অপেক্ষা করেন প্রিয় দলের ম্যাচ দেখার জন্য।
সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে মাঠের এক কোণে টস হয়। পাকিস্তানের অধিনায়ক শাহিবজাদা ফারহান টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। চার দিনের বেশি সময় ধরে ঢাকা থাকা উইকেটে টস হেরে বাংলাদেশকে শুরুতেই ব্যাটিংয়ে নামতে হয়।
শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামেন তানজিদ হোসেন তামিম ও সাইফ হাসান। সাইফ ১৯ রান করলেও তামিম ফিরেছেন সাত রান করে। এরপর অধিনায়ক লিটন কুমার দাস, পারভেজ হোসেন ইমন দ্রুত হলে মোসাদ্দেককে সঙ্গে নিয়ে হাল ধরেন তৌহিদ হৃদয়। মোসাদ্দেক বল নস্ট করলেও আগ্রাসী ছিলেন হৃদয়। মাত্র ২৫ বলে চার ছক্কা ও দুই চারে ৪২ রান করেন এই ব্যাটার। ১৬ বলে মোসাদ্দেক করেন ১১ রান। লেজের ব্যাটাররা সুবিধা করতে না পারলে ১১১ রান নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় লিটনদের।
