পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদারের বিরুদ্ধে ৯২ লাখ ১৪ হাজার ৮৭২ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে তাকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির অনুমোদন দিয়েছে।
বুধবার দুদক প্রধান কার্যালয়ে এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রলয় কুমার জোয়ারদারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও চোরাচালানে জড়িত থাকা এবং অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে আবাসিক সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ অনুসন্ধান করা হয়। অনুসন্ধান শেষে তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসবহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য-প্রমাণ পাওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির সুপারিশ করা হয়। পরে কমিশন এতে অনুমোদন দেয়।
দুদকের অনুসন্ধান সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কোনো ব্যক্তির বৈধ ও ঘোষিত আয়ের সঙ্গে তার অর্জিত সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে আয়, সম্পদ, দায়-দেনা ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। প্রলয় কুমার জোয়ারদারের ক্ষেত্রেও এ ধরনের যাচাই-বাছাই করা হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, প্রলয় কুমার জোয়ারদারের সম্পদ ও আয়ের তথ্য পর্যালোচনা করে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান করা হয়। অনুসন্ধানে ৯২ লাখ ১৪ হাজার ৮৭২ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসবহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
