ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে থাকা যাত্রীদের কাছ থেকে একের পর এক বক্তব্য সামনে আসছে। এতে মাঝ আকাশে বিমানটিতে ঘটে যাওয়া ঘটনা সম্পর্কে চাঞ্চল্য বাড়ছে।
বুধবার ভোরে ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে। ফ্লাইট-পর্যবেক্ষণ ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, যাত্রার প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিমানটি একটি জরুরি সংকেত পাঠায়।
বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানটি ছিনতাই করা হয়েছে- এমন সংকেত পাঠানো হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য বলছে, কোনো যাত্রী নয়, বিমানের একজন পাইলটই ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যাত্রীরা জানিয়েছেন, কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিমানটি হঠাৎ প্রায় ১৭ হাজার ফুট (৫,২০০ মিটার) নিচে নেমে যায়।
বিবিসির লাইভ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ককপিটে পাইলট ও কো-পাইলটের মধ্যে মারামারি শুরু হয়েছিল। এ সময় অন্তত একজনকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
এক যাত্রী জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে কয়েকজন যাত্রী ককপিটে ঢুকে একজন পাইলটকে কাবু করতে সহায়তা করেন। পরে তাকে বেঁধে রাখা হয়।
এদিকে, মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিওতে বিমানের কয়েকজন যাত্রীকে রক্তমাখা অবস্থায় দেখা গেছে। এখন তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখবেন, পাইলটদের মধ্যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন কি না। এমন চেষ্টা হয়ে থাকলে এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক বা সন্ত্রাসীমূলক উদ্দেশ্য ছিল কিনা, সেটিও তদন্ত করে দেখা হবে।
প্রায় ১৫০ জন আরোহী নিয়ে ফ্লাইট এফজেড১০৭৩ তেল আভিভের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণের কথা ছিল। তবে সেটি সৌদি আরবের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তাবুক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। বিমানটির অধিকাংশ যাত্রীই ছিলেন ইসরায়েলি।
