প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল-হামুদি। সাক্ষাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক ও বাণিজ্য, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ জোরদারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৃথকভাবে এ সাক্ষাৎ হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু। চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে তিনি বলেন, এটি ছিল বিদায়ী সাক্ষাৎ।
এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টার প্রতি চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ও নিউ ইয়র্কের বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনা রাষ্ট্রদূত।
তিনি ২০২৩ সাল থেকে বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন এবং চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে তার মেয়াদ শেষ হয়েছে। সাক্ষাতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন।
ওদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী আল-হামুদি। সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ হয়েছে। উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু বলেন, সাক্ষাতে বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, বাংলাদেশি দক্ষ জনশক্তির কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং জ্বালানি, অবকাঠামো, এভিয়েশন, তথ্যপ্রযুক্তি, রেলওয়ে ও লজিস্টিকসসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
