প্রায় ২০০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বেস্টওয়ে গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী ও গ্রুপের চেয়ারম্যান তানিয়া সুলতানা তানভীরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
এর আগে, দুদকের পক্ষে সহকারী পরিচালক সেলিম মিয়া তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। দুদকের আবেদনে বলা হয়, আবাসন ব্যবসার নামে প্রতারণার মাধ্যমে মিজানুর রহমান ও তানিয়া সুলতানা বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি প্রায় ২০০ কোটি টাকা মানিলন্ডারিং ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গ্রাহকদের প্লট বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলে অর্থ নেওয়া হলেও তাদের অনেককে প্লট বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এমনকি নেওয়া অর্থও ফেরত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছে দুদক।
এ ঘটনায় মিজানুর রহমান, তানিয়া সুলতানা তানভী ও বেস্টওয়ে গ্রুপের পরিচালক মো. মোমেনের বিরুদ্ধে গত ২১শে জুলাই মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে বনানী থানায় মামলা করে দুদক। দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়, মিজানুর রহমান ও তার স্ত্রী দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। তারা বিদেশে পালিয়ে গেলে অভিযোগের অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এ কারণে অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন ঠেকানো জরুরি।
শুনানি শেষে আদালত মিজানুর রহমান ও তানিয়া সুলতানা তানভীরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন। দুদক সূত্রে জানা যায়, অভিযোগের বিষয়ে আরও অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য ও নথিপত্রের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।
