মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ও সৌরবিদ্যুৎ খাতে ৭,২৪৫ কোটি টাকা দেবে পিকেএসএফ

মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ও সৌরবিদ্যুৎ খাতে ৭,২৪৫ কোটি টাকা দেবে পিকেএসএফ

ফন্ট সাইজ:

নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ, কুটির ও মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ৭ হাজার ২৪৫ কোটি টাকার অর্থায়ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। এর মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণে দেওয়া হবে ৫০০ কোটি টাকা।
রোববার পিকেএসএফ ভবনে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এসব অর্থায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পিকেএসএফের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানের সভাপতিত্বে সভায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদেরসহ পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন। সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে কুটির ও মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ খাতে উদ্যোক্তা সৃষ্টির জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করা হয়। মাঠপর্যায়ে প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, ম্যানুফ্যাকচারিং, সেবা এবং বিভিন্ন ভ্যালু চেইনভিত্তিক কার্যক্রমে এ অর্থায়ন করা হবে।

পিকেএসএফ জানিয়েছে, এ অর্থায়নের মাধ্যমে স্বল্পআয়ের জনগোষ্ঠীর দক্ষতা ও উৎপাদন সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। বিশেষ করে কুটির ও ক্ষুদ্র উদ্যোগের সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে। এদিকে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণে সরকারি বরাদ্দের ৫০০ কোটি টাকার ভিত্তিতে বিশেষায়িত অর্থায়ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে পিকেএসএফ। এ অর্থায়নের আওতায় সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে গ্রাহক পর্যায়ে ৬ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণ করা হবে। এ জন্য পরিচালনা পর্ষদ ‘সৌরশক্তি’ নামে একটি বিশেষায়িত ঋণ নীতিমালা অনুমোদন করেছে। এর আওতায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে আগ্রহী গ্রাহকদের ঋণ সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

সভায় পিকেএসএফের সহযোগী সংস্থাগুলোর অনুকূলে আরও প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করা হয়। এ অর্থ ক্লাস্টারভিত্তিক মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ, সাধারণ সেবা, অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে অর্থায়নে ব্যবহার করা হবে। পিকেএসএফের এ উদ্যোগের আওতায় একদিকে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে, অন্যদিকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের সম্প্রসারণের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংস্থাটি বলছে, স্বল্পআয়ের জনগোষ্ঠীকে উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অর্থায়নের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে এসব অর্থায়ন কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।