বগুড়ায় আল হারামাইন হাজী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘হজ পরবর্তী জীবন’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে শহরের জলেশ্বরীতলা সিটি সেন্টারের কনভেনশন হলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মো. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য, বগুড়া জেলা বিএনপি’র সভাপতি এবং আল হারামাইন হাজী ফাউন্ডেশন বগুড়ার প্রধান শুভাকাক্সক্ষী আলহাজ মো. রেজাউল করিম বাদশা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ মো. রেজাউল করিম বাদশা বলেন, ‘পবিত্র হজ পালন করার মাধ্যমে একজন মুমিন বান্দা পাপমুক্ত ও নিষ্পাপ অবস্থায় দেশে ফিরে আসেন। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো হজের পর নিজের বাকি জীবনকে সেই পবিত্রতার আলোয় আলোকিত রাখা এবং ইসলামের সঠিক নির্দেশিকা মেনে চলা। আমাদের ব্যক্তি, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে হজের শিক্ষা ও নৈতিকতা প্রতিফলিত করতে হবে।’ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আল হারামাইন হাজী ফাউন্ডেশন বগুড়ার সভাপতি আলহাজ এড. জি, আর, এম খায়রুজ্জামান। প্রধান আলোচক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পেশ করেন স্কুল অব দ্য হোলি কোরআন-এর প্রিন্সিপ্যাল, বিশিষ্ট টিভি আলোচক এবং ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা আলহাজ মো. মোস্তফা আল মাদানী।
প্রধান আলোচক মোস্তফা আল মাদানী বলেন, ‘হজ আত্মশুদ্ধি ও জীবনের মোড় ঘোরানোর মহা সুযোগ। হজ থেকে অর্জিত তাকওয়া ও খোদাভীতি যদি হজ পরবর্তী জীবনে ধরে রাখা না যায়, তবে সেই অর্জনের পূর্ণতা আসে না। তাই বাকি জীবনে পাপাচার থেকে দূরে থেকে নবীজির সুন্নাহ অনুকরণ করাই হাজীদের আসল সাফল্য।’ অনুষ্ঠানে বরেণ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক এ, কে, এম আহসানুল তৈয়ব জাকির এবং বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও সংগঠনের শুভাকাক্সক্ষী এম আর ইসলাম স্বাধীন। এ ছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেনÑ প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ ইঞ্জি. মো. শাহীন উদ্দীন, সাবেক সভাপতি ও আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ এড. আবদুল মতিন মণ্ডল, এম এ আজাদ চয়ন, মনিরুজ্জামান উজ্জ্বলসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, অগ্রগতি এবং হাজীদের কবুলিয়াতের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
