কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে জলমহালের নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি’র দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় উপজেলা বিএনপি সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। শনিবার জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম এমপি এই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন। এতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৫শে সেপ্টেম্বর পূর্ব অষ্টগ্রাম ইউনিয়নের আখড়াবাজারে বিলমাকশা জলমহাল নিয়ে উপজেলা বিএনপি সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন। যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় দলের ভাবমূর্তি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা বিএনপি সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদের বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না- এই মর্মে আগামী ৭ দিনের মধ্যে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম এমপি বরাবর ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, উপজেলার বিলমাকশা জলমহালের ভোগদখল নিয়ে উপজেলা বিএনপি সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ এবং উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শাহীনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। শাহীন বিলমাকশা জলমহালটি গত বছর ইজারা নিয়েছিলেন। কিন্তু সাঈদ ও তার অনুসারীরা জলমহালটি ভোগদখলের জন্য নানাভাবে চেষ্টা করছিলেন। এবারো জলমহালটির সর্বোচ্চ দরদাতা শাহীন। কিন্তু সাঈদ জলমহালটি ছাড়তে নারাজ। এর জেরে ধরে গত শুক্রবার দুপুরে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়।
