বিয়ের আশ্বাস দিয়ে এক নারীকে দুবাই নিয়ে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগ উঠেছে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের প্রবাসী মো. বাহারের বিরুদ্ধে। ওই নারীর দাবি, বর্তমানে তার সাত মাস বয়সী সন্তান অসুস্থ হয়ে পড়লেও অভিযুক্ত বাহার সন্তানের কোনো খোঁজখবর নিচ্ছেন না এবং চিকিৎসার ব্যয়ও বহন করছেন না। অভিযুক্ত মো. বাহার নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চর আমান উল্লাহ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদ মার্কেট এলাকার বাসিন্দা। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন বাহার। একপর্যায়ে তাকে বিয়ে করার কথা বলে দুবাই নিয়ে যান। সেখানে স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিলেও আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে না করে দিনের পর দিন তার সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।
নারীর দাবি, একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি গোপন রাখতে তাকে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ দেয়া হয়। পরে দেশে গুরুতর অসুস্থ এক বন্ধুকে দেখতে তাকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন বাহার। দেশে ফেরার পর তাকে তার বাগেরহাটের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন তিনি। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ব্লক করে দেন বলেও অভিযোগ করেন নারী।
ভুক্তভোগী বলেন, আমি আমার সন্তানের বাবার স্বীকৃতি চাই। প্রয়োজনে ডিএনএ পরীক্ষা করা হোক। সত্য প্রকাশ পাক। আমার সন্তান যেন ভবিষ্যতে বাবার পরিচয় নিয়ে কোনো সংকটে না পড়েÑ সেটিই আমার দাবি। আমি ন্যায়বিচার ও আইনগত ব্যবস্থা চাই। এদিকে, বাহারের প্রথম স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেয়া এক নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার দাবি, তার স্বামীর সঙ্গে ওই নারীর সম্পর্কের জন্য ওই নারীই দায়ী এবং এসব অভিযোগের কারণে তার সংসারে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, এ বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
