মসজিদ নিয়ে ‘মিথ্যা সংবাদ’ প্রকাশের অভিযোগ

মসজিদ নিয়ে ‘মিথ্যা সংবাদ’ প্রকাশের অভিযোগ

ফন্ট সাইজ:

ঢাকার নবাবগঞ্জের ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী নতুন বান্দুরা শাহী (ভাঙা) মসজিদের সম্পত্তি ও আয়-ব্যয় নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর’ দাবি করেছে মসজিদ কমিটি। এসব অভিযোগের প্রতিবাদে শনিবার মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে মসজিদ প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, মসজিদ কমিটি কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগের ভিত্তি নেই। সিএস রেকর্ডে নতুন বান্দুরা মৌজার মোট ৪৪ শতাংশ জমি মসজিদের নামে রেকর্ডভুক্ত রয়েছে। পরবর্তী সময়ে আরএস রেকর্ডেও ১৮৯ ও ১৯০ নম্বর দাগে একই পরিমাণ জমি মসজিদ নামে লিপিবদ্ধ করা হয়। পরে জমিটি মসজিদের নামে নামজারি করা হয়েছে এবং নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।

মসজিদের জমির মালিকানা নিয়ে শফিকুল ইসলাম কালু ও তার পক্ষের লোকজনের সঙ্গে বিরোধের কথাও সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়। কমিটি জানান, কালুদের পূর্বপুরুষ দুখাই দাইকে মসজিদের খাদেম হিসেবে রাখা হয়েছিল। তার দুই ছেলে মসজিদের জমি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে এসএ রেকর্ডে নিজের নাম লিপিবদ্ধ করে। কিন্তু পরবর্তীতে আরএস রেকর্ড পুনরায় মসজিদের নামে হয়ে যায়। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে গত বছর থানায় বৈঠক হয় এবং উভয় পক্ষের কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়। সেখানে কালু পক্ষকে আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির পরামর্শ দেয়া হয়। যেহেতু তারা সম্পত্তি পাবে না তাই তাদেরকে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে থানায় সাত লাখ টাকা দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল- এমন অভিযোগও সত্য নয়।

এ ছাড়া, প্রতি সপ্তাহে মসজিদে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা ওঠে এবং দীর্ঘদিন ধরে তা আত্মসাৎ করা হচ্ছে- এমন অভিযোগও নাকচ করেছে কমিটি। তাদের দাবি, মসজিদের আয় নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংক হিসাবে জমা হয় এবং সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের যৌথ হিসাবে তা পরিচালিত হয়। মিনার, অজুখানা, নারীদের নামাজের স্থানসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজে মসজিদের অর্থ ব্যয় করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকাবাসী বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের তথ্য যাচাই করে সংবাদ পরিবেশন করা উচিত।