শিক্ষার মানোন্নয়ন ও দক্ষতা উন্নয়নে জোর দিতে হবে

জালালাবাদ অফিসার্স এসোসিয়েশনের সেমিনারে বাণিজ্যমন্ত্রী

শিক্ষার মানোন্নয়ন ও দক্ষতা উন্নয়নে জোর দিতে হবে

ফন্ট সাইজ:

শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে সিলেট বিভাগের পিছিয়ে পড়ার কারণ চিহ্নিত করে তা মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন শিল্প, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, সিলেটের মানুষের মেধা ও সক্ষমতার কোনো ঘাটতি নেই; প্রয়োজন সঠিক নেতৃত্ব, শিক্ষা অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা। শনিবার সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জালালাবাদ অফিসার্স এসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সিলেট বিভাগের সার্বিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুণগত শিক্ষার প্রসার’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার ও শিক্ষার বিভিন্ন সূচকে সিলেট পিছিয়ে রয়েছে। শহর ও গ্রামীণ জনপদ- উভয় ক্ষেত্রেই জাতীয় গড়ের তুলনায় সিলেটের অবস্থান নিচে। বিদ্যালয়ের সংখ্যা, পাসের হার, প্রাথমিক শিক্ষার মান, শিক্ষার্থীদের রিডিং ও নিউমেরেসি দক্ষতার ক্ষেত্রেও এই পিছিয়ে থাকা দৃশ্যমান।

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, দেশের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি, অবকাঠামো ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সিলেট পিছিয়ে রয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খানের সভাপতিত্বে এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তা অজন্তা শুক্লার সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সিলেট অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. দিদার চৌধুরী। মূল প্রবন্ধে সিলেট অঞ্চলের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরা হয়। এতে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূচকে সিলেটের পিছিয়ে থাকার বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। উত্তরণের নানা সুপারিশও রয়েছে প্রবন্ধে। সেমিনারে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও জালালাবাদ অফিসার্স এসোসিয়েশন সিলেট চ্যাপ্টারের সভাপতি ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, দি এইডেড হাইস্কুলের পরিচালনা কমিটির সভাপতি বদরুজ্জামান সেলিম, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. শামসুল ইসলাম, সিলেট প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাশ্মীর রেজা এবং সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বর্ষা দে এ্যানী।