তিগ্রাই পিপলস লিবারেশন ফ্রন্টের (টিপিএলএফ) অন্তত ২৭২ জন যোদ্ধাকে হত্যার দাবি করেছে ইথিওপিয়ার সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার দেশটির ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্স জানিয়েছে, অভিযানে আরও ২৬০ জন তিগ্রাই যোদ্ধা আহত হয়েছেন এবং বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা।
সেনাবাহিনী জানায়, তিগ্রাই সীমান্তবর্তী উত্তর ওলোর বিভিন্ন এলাকায় টিপিএলএফ ও তাদের মিত্ররা হামলা চালায়। এর জবাবে সরকারি বাহিনী পাল্টা আক্রমণ শুরু করে এবং বিদ্রোহীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে। তবে টিপিএলএফের ভাইস প্রেসিডেন্ট আমানুয়েল আসেফা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, তারা এখন কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের পরিস্থিতিতে রয়েছেন। আফার ও আমহারার স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাদের যোদ্ধারা লড়ছেন বলে নিশ্চিত করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ সরকারকে হটাতে কয়েক দিন আগেই সাতটি সশস্ত্র দল মিলে ঐক্যজোট গঠনের ঘোষণা দেয়। সংঘাত বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আঞ্চলিক বিমান চলাচল সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। তিগ্রাই বাহিনী ইতিমধ্যে তিনটি বিমানবন্দর দখল করেছে। ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহাসিক লালিবিলার পাশের বিমানবন্দরও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জাতিসংঘে দেয়া ভাষণে ইথিওপিয়ার প্রেসিডেন্ট তায়ে আতস্কে-সেলাসি এই উত্তেজনার জন্য বহিরাগত শক্তির হস্তক্ষেপকে দায়ী করেন। বিশ্লেষকদের মতে, লোহিত সাগরে প্রবেশাধিকার নিয়ে বিরোধের জেরে এই সংঘাতে প্রতিবেশী ইরিত্রিয়া এবং সুদানের গৃহযুদ্ধের প্রভাব যুক্ত হয়ে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করছে।
