কক্সবাজারের মহেশখালী এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজি কার্গো হতে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি ট্রান্সফার ব্যাহত হচ্ছে। ফলে স্বাভাবিকের চাইতে দেশে সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ হ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশনের (পেট্রোবাংলা)।
বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলা’র উপ-মহাব্যবস্থাপক তারিকুল ইসলাম খান এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।
সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দু:খ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। আবহাওয়ার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানায় পট্রোবাংলা।
পেট্রোবাংলা সূত্র মতে, সন্ধ্যায় ৬টা দেশে গ্যাসের সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৩০১ মিলিয়ন ঘনফুট। এরমধ্যে দেশীয় উৎপাদন থেকে ১ গাজার ৬১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। অন্যদিকে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি সরবাহের মাধ্যমে এসেছে ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের মোট সরবরাহের বড় একটি অংশই এসেছে দেশীয় উৎপাদন থেকে। এর পাশাপাশি এলএনজি সরবরাহের মাধ্যমে ঘাটতি পূরণে সহায়তা করা হচ্ছে। পেট্রোবাংলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে উৎপাদন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছে।
পেট্রোবাংলা সূত্র অনুযায়ী, দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে ২ হাজার ৩০১ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ করা হচ্ছে।
