জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ততম দিন

ভাষণ দেবেন আজ

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ততম দিন

ফন্ট সাইজ:

জাতিসংঘ সফরের প্রথম দিন নিউ ইয়র্কে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতিসংঘ মহাসচিবের দেয়া প্রাতঃরাশ বৈঠক দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করে শেষ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ডিনারের মাধ্যমে। দিনব্যাপী জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী বিতর্কে যোগদানসহ পৃথক ১০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। এরমধ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্টসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক ছিল। দ্বিতীয় দিন বুধবার আন্তর্জাতিক দাতব্য, জনহিতকর ও মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠকের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু করেন। এ ছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, প্রধানমন্ত্রী ও শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে একাধিক সাইডলাইনে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন। তৃতীয় দিন আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এই ভাষণের মধ্যদিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সঙ্গে জিয়া পরিবারের চার দশকেরও বেশি সময়ের সম্পর্কের নতুন অধ্যায় সূচিত হবে।

গত ২১শে সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কে পৌঁছানোর পর ২২শে সেপ্টেম্বর সকালে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদল প্রধান ও তাদের সঙ্গীদের সম্মানে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত এক ব্রেকফাস্ট সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদ মিলনায়তনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের উচ্চ পর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে যোগ দেন। দিনব্যাপী অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে, মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট উজ হুসেইন মোহাম্মদ লতিফ, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ের ফিল্‌স-এমে’র সঙ্গে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পাশাপাশি টার্কির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী দিনভর ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যান্তোনিও কস্টা, মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের স্পেশাল এনভয় জুলি বিশপ, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক এবং মেটা প্ল্যাটফরমসের চিফ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার জোয়েল কাপলানের সঙ্গেও বৈঠক করেন।

২৩শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আন্তর্জাতিক দাতব্য, জনহিতকর ও মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠকের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর মানবিক সমস্যা, জলবায়ু মোকাবিলা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। এ ছাড়া জাতিসংঘ সদর দপ্তরে রোহিঙ্গা সংকটের ওপর ‘দি রোহিঙ্গা ক্রাইসিস: এ রিনিউড কল ফর এ ডিউরেবল সলিউশন ফ্রম প্রোট্র্যাক্টেড ডিসপ্লেসমেন্ট, উইথ জাস্টিস অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি’ শীর্ষক একটি উচ্চ পর্যায়ের সাইড ইভেন্টে অংশ নেবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেনকোভিচের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন এবং ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দি জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়ে বক্তব্য দেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের প্রধান আকর্ষণ হবে ২৪শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে তার ভাষণ। সূচি অনুযায়ী, নিউ ইয়র্ক সময় বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে সাধারণ পরিষদ হলে বক্তব্য দেয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। বিকালের সেশনের ১৮ জন বক্তার মধ্যে তিনি ১১তম বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন এবং তার বক্তব্যের জন্য ১৫ মিনিটের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি ওইদিন সকালে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বের সংকট মোকাবিলার ওপর আয়োজিত এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে ওপেনিং স্পিচ দেবেন।

এ ছাড়া তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরীফ, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল এবং জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। জাতিসংঘে ভাষণ দেয়ার পর নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির আয়োজনে তার সম্মানে দেয়া ডিনারে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া সফরের শেষ দিনে ২৫শে সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্ক ত্যাগের আগে ম্যানহাটনে জেপি মরগানের সদর দপ্তরে ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে জেপি মরগান আয়োজিত এক ব্রেকফাস্ট সভায় অংশ নেবেন। একইদিনে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহ’র সঙ্গেও তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিউ ইয়র্ক সময় ২৫শে সেপ্টেম্বর রাত ১১টায় দুবাই হয়ে এমিরেটসের ইকে-২০২ ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের আহ্বান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতিসংঘের শরণার্থী-বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম ছালিহ। মঙ্গলবার বিকালে নিউ ইয়র্কে হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল হোটেলে এই বৈঠক হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, বৈঠকে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। সংকটের স্থায়ী সমাধানে রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের আরও কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। সাক্ষাতের সময়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান উপস্থিত ছিলেন।

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কে জাতি সংঘ সদর দপ্তরের কাছে ইউনাইটেড নেশনস প্লাজায় অবস্থিত টার্কি হাউসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও টার্কির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের মধ্যে এ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক এ কথা জানান। তিনি জানান, বৈঠকে বাংলাদেশ ও টার্কির মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে পারস্পরিক স্বার্থ ও অভিন্ন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন দুই দেশের শীর্ষ দুই নেতা।

সহকারী প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে বাংলাদেশ ও টার্কির মধ্যকার ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার ও বহুমাত্রিক করার লক্ষ্যে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন দুই নেতা। একইসঙ্গে অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। নাজমুল হক আরও জানান, বৈঠকের আলোচনাকালে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইসুতে দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ও সমন্বয় অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও টার্কির মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে পারস্পরিক স্বার্থ ও অভিন্ন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনেরও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন দুই নেতা।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের ডিনারে অংশগ্রহণ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান বিশ্ব নেতাদের সম্মানে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের দেয়া ডিনারে অংশ নিয়েছেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে বিশ্ব নেতাদের সম্মানে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাতে নিউ ইয়র্কের বিলাসবহুল লোটে নিউ ইয়র্ক প্যালেস হোটেলে এ ডিনারের আয়োজন করা হয়। জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং তাদের সহধর্মিণীরা এ ডিনারে অংশ নেন। এর আগে সকালে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানদের সম্মানে ব্রেকফাস্ট আয়োজন করেন। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানও অংশ নেন।

প্রথম দিনে ১০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউ ইয়র্কে সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম দিনেই গুরুত্বপূর্ণ ১০টি কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এসব কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী জনগণের স্বার্থ ও বিশ্ব মঞ্চে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৮টায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। সফরের প্রথম দিনের কর্মসূচি পর্যালোচনা করে মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থকে কীভাবে প্রাধান্য দেয়া যায় এবং জনগণের স্বার্থকে সবার আগে রাখা যায়, বিশ্ব মঞ্চে একজন নির্বাচিত সরকারপ্রধান হিসেবে বাংলাদেশের মর্যাদাকে কীভাবে আরও উপরে নিয়ে যাওয়া যায়, সেটাই নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতঃরাশ বৈঠক: এদিকে বুধবার আন্তর্জাতিক দাতব্য, জনহিতকর ও মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিশ্বের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় জনহিতকর ও মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এরমধ্যে গেটস ফাউন্ডেশন, ভিসা ফাউন্ডেশন, রকফেলার ফাউন্ডেশন, ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (আইআরসি) এবং রোটারি ইন্টারন্যাশনালসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বৈঠকের মাধ্যমে চলমান ইউএনজিএ অধিবেশনের প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক মানবিক সংকট, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হয়। বৈঠকে বাংলাদেশে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মানবিক সহায়তা এবং প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন উদ্যোগে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। একইসঙ্গে বৈশ্বিক পর্যায়ে দাতব্য ও মানবিক সহযোগিতার পরিধি আরও বাড়ানো এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনা হয়।