গতকাল গেমসে ব্যস্ততম দিন কেটেছে বাংলাদেশের। শুটিং, কারাতে কাবাডি. ব্যাডমিন্টন, ফুটবলসহ আটটি ডিসিপ্লিনে অংশ নিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ফুটবল ছাড়া বাকি সব ডিসিপ্লিন অনুষ্ঠিত হয়েছে নাগোয়া ও নাগোয়ার আশপাশের বিভিন্ন সিটিতে। ওসাকার নাইয়ের বিশ্বকাপ স্টেডিয়ামে মিয়ানমারের সঙ্গে গ্রুপের শেষ ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। নাগোয়া থেকে প্রায় চারশ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় এই ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন না বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। সংবাদকর্মীরাও যেতে পারেননি ফুটবল ম্যাচ কাভার করতে। তবে দুই কোরিয়ার কাছে আগের দুই ম্যাচে ১৬ গোল খাওয়া ঋতুপর্ণারা গতকাল সেরা ফুটবলই খেলেছে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৫৭ নম্বরে থাকা মিয়ানমারের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে এশিয়ান গেমসে পথচলা থেমেছে বাংলাদেশের।
গত বছর মিয়ানমারকে তাদের মাটিতে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপে খেলেছিল বাংলাদেশ। সেই দলটির বিপক্ষে গোলের সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি। ফলে এক পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়। ম্যাচের প্রথম মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েছিল মিয়ানমার। ১০ মিনিট পর বাংলাদেশের গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালে পাঠাতে পারেনি তারা। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে বাংলাদেশের ঋতুপর্ণা মিয়ানমারের ডিফেন্ডারের ভুলে বক্সের সামনে বল পান। তার দ্রুতগতির শট মিয়ানমারের পোস্টের সামান্য উপর দিয়ে যায়।
মিয়ানমারে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক ছিলেন ঋতুপর্ণা। তার অসাধারণ দুই গোলেই জিতেছিল দল। তিনি মিয়ানমার লীগে খেলায় অনেক ফুটবলারের সঙ্গে তার খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। গতকালও তিনি মাঠে দ্যুতি ছড়িয়েছেন। প্রথমার্ধের শেষ দিকে বাজে ট্যাকলের শিকার হলেও পুরো ম্যাচই খেলেছেন। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ তেমন আক্রমণ করতে পারেনি। ৭৭ মিনিটে উল্টো মিয়ানমার সহজ গোলের সুযোগ মিস করেছে। রূপনা চাকমাকে একা পেয়েও বাংলাদেশের পোস্টে বল জালে পাঠাতে পারেনি মিয়ানমার। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল গত আসর থেকে এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণ করছে। হাংজুতে জাপান, ভিয়েতনামের বিপক্ষে হারলেও নেপালের সঙ্গে ড্র করেছিল। মিয়ানমারেরও এক পয়েন্ট, তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় বাংলাদেশ গ্রুপের চতুর্থ দল।
