বুতুনী খালে নেই সেতু, ৭-৮ কিলোমিটার ঘুরে কৃষিপণ্য

বুতুনী খালে নেই সেতু, ৭-৮ কিলোমিটার ঘুরে কৃষিপণ্য

ফন্ট সাইজ:

সেতু নেই। খালের দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগের ভরসা ঘুরপথের কাঁচা সড়ক। ফলে কৃষিপণ্য ও কাঁচামাল হাট-বাজারে নিতে ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার ঘুরতে হচ্ছে। শুধু কৃষকের দুর্ভোগ নয়, খালের ওপারে থাকা কবরস্থানে মরদেহ নেয়ার ক্ষেত্রেও ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয়রা। দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগের মধ্যে ১০ মিটার সেতু নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে শিবালয় উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তর।

তবে প্রস্তাব পাঠানোর সুনির্দিষ্ট তারিখ জানাতে পারেননি প্রকৌশলী। সেতুটির সম্ভাব্য ব্যয়ও এখনো নির্ধারণ হয়নি। আর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলছেন, তিনি এ বিষয়ে অবগত নন। মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার বুতুনী মৌজায় বড় বুতুনী বাজারসংলগ্ন আসমা বেগমের বাড়ির কাছে খালের ওপর সেতুটি নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের। সেতু হলে মানুষের চলাচল সহজ হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাত করাও সহজ হবে। স্থানীয়রা জানান, বর্তমানে খালের ওপর সেতু না থাকায় কাঁচামাল ও কৃষিপণ্য নিয়ে ঘুরপথে যেতে হয়। ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পাড়ি দিতে গিয়ে বর্ষায় দুর্ভোগ আরও বাড়ে। কৃষকদের উৎপাদন খরচও বেড়ে যায়। স্থানীয় প্রতিনিধি সোবজেল জানান, সেতু নির্মাণের জন্য ২০২২-২৩ এবং সর্বশেষ ২০২৫ সালের ১৫ই নভেম্বর সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। একাধিকবার সরজমিন পরিদর্শন হলেও কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হয়নি বলে দাবি তার। তবে এবার সেতু নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানোর কথা জানিয়েছেন উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, আমরা অনেকগুলো প্রজেক্টের প্রস্তাব দিয়েছি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সেতু নির্মাণ প্রকল্পে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। এদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা রাণী কর্মকার বলেন, আমি এ বিষয়ে অবগত নই। অন্যদিকে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার চৌধুরীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার কার্যালয়ে গিয়ে এবং মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।