যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতিতে বাড়ছে চীনের ভূমিকা

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতিতে বাড়ছে চীনের ভূমিকা

ফন্ট সাইজ:

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থামাতে এবার মধ্যস্থতায় নামছে চীন। যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান স্ট্র্যাটেজিস্ট এবং সাবেক হোয়াইট হাউস ও জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা মার্ক ফাইফল জানিয়েছেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতার ও পাকিস্তানের প্রচেষ্টার বাইরেও নতুন একটি অগ্রগতি গতি সঞ্চার করতে পারে, আর তা হলো বেইজিংয়ের সক্রিয় পদক্ষেপ। সামনের দিনগুলোতে চীনের বক্তব্য ও পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি হুতিদের বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে চীনের সহায়তা চাওয়া এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আসন্ন বৈঠকের প্রতি ইঙ্গিত করেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা।

মার্ক ফাইফল বলেন, হুতিরা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হামলা না চালানোর একটি অঙ্গীকার করেছে। এতে লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালি এই উভয় ফ্রন্টে একসাথে যুদ্ধ করার যে সক্ষমতা ইরানের রয়েছে, তা অন্তত কিছুটা হলেও কমাতে সাহায্য করবে। তিনি আরও জানান, রিয়াদ ইতিমধ্যে হুতিদের নিবৃত্ত করতে এবং তেহরানের ওপর প্রভাব খাটাতে বেইজিংয়ের হস্তক্ষেপ চেয়েছে। ফলে এই প্রথমবারের মতো মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকটে চীনের বাস্তবিক সম্পৃক্ততা দেখা যাচ্ছে।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের মধ্যে বৈঠক হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন ফাইফল। তিনি জানান, সেখানে দুই নেতার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পাশাপাশি উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠকের কথা রয়েছে, যেখান থেকে ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে আরও জোরদার চাপ সৃষ্টি করা সম্ভব হতে পারে।