দামি প্রাইভেটকারের গোপন স্থানে ৮৯ হাজার পিস ইয়াবা

দামি প্রাইভেটকারের গোপন স্থানে ৮৯ হাজার পিস ইয়াবা

ফন্ট সাইজ:

দামি প্রাইভেটকার। বাইরে থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই, গাড়িটির ভেতরে রয়েছে বিপুল পরিমাণ মাদক। তবে রেজুখাল চেকপোস্টে তল্লাশির সময় গাড়িটির নিচে বিশেষভাবে তৈরি গোপন স্থানে মিলেছে ৮৯ হাজার ৪০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা। এ ঘটনায় মো. এরফান (৩০) নামে এক যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জব্দ করা হয়েছে ইয়াবা বহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ও একটি স্মার্টফোন। শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর রেজুখাল চেকপোস্টের তল্লাশি দল মিনি বান্দরবান সড়কে একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করে। বিজিবি সূত্র জানায়, তল্লাশির সময় গাড়িতে থাকা যাত্রী মো. এরফানকে আটক করা হয়। সে কক্সবাজার শহরের দক্ষিণ মহুরীপাড়া লিংক রোড এলাকার মৃত মো. আব্দুল ছামাদের ছেলে।

তল্লাশির একপর্যায়ে গাড়ির নিচে অভিনব কায়দায় তৈরি করা গোপন স্থানে লুকিয়ে রাখা ৮৯ হাজার ৪০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। বিজিবি’র দাবি, মাদক পাচারে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটির বাহ্যিক অবস্থা দেখে সাধারণভাবে ইয়াবা বহনের বিষয়টি বোঝার উপায় ছিল না। বিশেষ কায়দায় গাড়ির নিচে তৈরি করা গোপন স্থানে ইয়াবাগুলো রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় এরফানকে আটক করার পাশাপাশি ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ও একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে। বিজিবি’র দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় আরও তিনজন পলাতক রয়েছে।

তারা হলো- টেকনাফের সাবরাং সিকদার এলাকার মো. কাদের (৪৫) ও মো. কামাল (৪০) এবং রামুর পূর্ব গোয়ালিয়াপালং এলাকার মো. মুনসুর (৫৫)। কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি বলেন, বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার করা ইয়াবা ও জব্দ করা অন্যান্য মালামালসহ আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।