গঙ্গা পানিচুক্তি নবায়নের সময় ১৯৭৭ সালের ‘গ্যারান্টি ধারা’ অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশের পানিসম্পদ মন্ত্রী। দ্য প্রিন্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, চুক্তিতে গ্যারান্টি ধারা’ অন্তর্ভুক্ত করা হলে ভাটিতে পানির ন্যূনতম প্রবাহ নিশ্চিত হবে।
১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানিচুক্তির মেয়াদ এই ডিসেম্বরে শেষ হতে চলেছে এবং উভয় দেশই এটি নবায়নের জন্য আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তিনি বলেন, গ্যারান্টি ধারাটি তার দেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৯৭৭ সালের চুক্তির অংশ ছিল। কিন্তু ১৯৯৬ সালের চুক্তি থেকে এটি বাদ দেয়া হয়। তিনি বলেছেন, “চুক্তিটি নবায়ন করার সময় আমরা যে বিষয়গুলো চাই তার মধ্যে অন্যতম হলো গ্যারান্টি ধারাটি। এটি আমাদের জন্য একটি উচ্চ অগ্রাধিকার। পুনর্আলোচিত চুক্তিতে উভয় দেশের স্বার্থে এটি বিবেচনা করা উচিত।”এই গ্যারান্টি ধারাটি নদীর শুষ্ক মৌসুমের সবচেয়ে শুষ্ক সময়ে—২১ এপ্রিল থেকে ৩১ মে পর্যন্ত—ভাটির দেশ, অর্থাৎ বাংলাদেশে, একটি নির্দিষ্ট ন্যূনতম পানি প্রবাহের নিশ্চয়তা কথা বলা ছিল।
মন্ত্রী আরও বলেছেন যে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে এবং গ্যারান্টি ধারাসহ গঙ্গা চুক্তি নবায়ন দুই দেশের বন্ধুত্বকে আরও জোরদার করবে। আমরা খুবই আশাবাদী। তিনি আরও জানান , চুক্তির খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) শিগগিরই বৈঠকে বসবে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেছেন যে, গত ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশে যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারা দেশের জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করেননি। কিন্তু তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন আমাদের সরকার ভিন্ন। আমরা জনগণের স্বার্থকে মাথায় রেখেছি এবং চুক্তিটি নবায়নের সময় তা যেন প্রতিফলিত হয়, তা নিশ্চিত করব। জেআরসি বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।
গঙ্গা পানি চুক্তিতে ১৯৭৭ সালের ‘গ্যারান্টি ধারা’ অন্তর্ভুক্ত করার দাবি পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানির
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা
ভারত
২ ঘন্টা আগে
১৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার), ২০২৬, ৯ঃ০৭ (পূর্বাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
