প্রথমবারের মতো মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

এপির খবর

প্রথমবারের মতো মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা স্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

ফন্ট সাইজ:

যুক্তরাষ্ট্র প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে যে, তারা মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করেছে। মেরিল্যান্ডে সোমবার অনুষ্ঠিত এয়ার অ্যান্ড স্পেস সাইবার কনফারেন্সে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর সেক্রেটারি ট্রয় মেইঙ্ক বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে এমন ‘অন-অরবিট স্পেস কন্ট্রোল উইপন’ বা কক্ষপথে মোতায়েনযোগ্য মহাকাশ নিয়ন্ত্রণ অস্ত্র প্রস্তুত করেছে, যা শত্রুপক্ষের হামলা থেকে মার্কিন যৌথ বাহিনীকে রক্ষা করতে সক্ষম। ওয়াশিংটনের এ পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া ও চীন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। তবে কী ধরনের অস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে কিংবা এগুলো কীভাবে কাজ করে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি মেইঙ্ক। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, রাশিয়া মহাকাশ থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়-এমন একটি নতুন এন্টি-স্যাটেলাইট অস্ত্র তৈরি করছে। সে সময় হোয়াইট হাউস বলেছিল, এই অস্ত্রের কারণে তাৎক্ষণিক কোনো বিপদের আশঙ্কা নেই। তবে রাশিয়ার ওই উপগ্রহবিধ্বংসী অস্ত্র নিয়ে প্রতিবেদনগুলো মহাকাশে রাশিয়া ও চীনের সম্ভাব্য হুমকি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের উদ্বেগকে আরও সামনে নিয়ে আসে। এর অন্যতম কারণ হলো, যুক্তরাষ্ট্রের বিপুলসংখ্যক অবকাঠামো ও যোগাযোগব্যবস্থা স্যাটেলাইটনির্ভর।
সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে মেইঙ্ক আরও জানান, বিমানবাহিনী তাদের সক্ষমতার মধ্যে আরও বেশি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা যুক্ত করছে। তার পূর্বাভাস, ২০৩২ সালের মধ্যে মার্কিন বিমানবাহিনীর চেহারা ‘নাটকীয়ভাবে ভিন্ন’ হয়ে যাবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, একমুখী হামলা চালাতে সক্ষম ড্রোনগুলো ভবিষ্যতে কামান বা আর্টিলারির পরিবর্তে যুদ্ধক্ষেত্রে ‘প্রধান হত্যাকারী অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। মেইঙ্ক বলেন, বিদ্যমান হুমকির বিরুদ্ধে আমরা প্রস্তুতি আরও বাড়াচ্ছি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ২০১৯ সালে স্পেস ফোর্স প্রতিষ্ঠা করেন।