বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় চাঁদাবাজির মামলায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এনামুল হক ইমু ও যুবদলের সদস্য শামীম ওরফে ‘ইয়াবা শামীম’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রোববার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার তাদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পাথরঘাটা থানার ওসি মো. আবদুল আলিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা যায়, গত ১২ই সেপ্টেম্বর পাথরঘাটা উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফোরকান আহমেদ চাঁদাবাজির অভিযোগে থানায় মামলা করেন। মামলায় এনামুল হক ইমু ও শামীমকে আসামি করা হয়। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত এনামুল হক ইমু পাথরঘাটা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব। তিনি পাথরঘাটা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. আবদুল আউয়ালের ছেলে। অন্যজন গ্রেপ্তারকৃত শামীম কালমেঘা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের লাকুরতলা গ্রামের বাসিন্দা। এর আগে পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য বন্দর এলাকায় একটি ট্রান্সপোর্ট অফিসে অভিযান চালিয়ে মাদক ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের কথা জানিয়েছিল পুলিশ। পুলিশের দাবি, অফিসটি এনামুল হক ইমুর পরিচালিত। অভিযানে ৯টি ইয়াবা, এক পুরিয়া গাঁজা ও একটি রামদা উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, গভীর সমুদ্র থেকে মাছ ধরার ট্রলারে করে ইয়াবার চালান বিএফডিসি মৎস্য ঘাটে আসার তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের পর ইমু আত্মগোপনে ছিলেন বলে দাবি পুলিশের। পাথরঘাটা থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আলিম বলেছেন, চাঁদাবাজির মামলায় এনামুল হক ইমু ও শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মামলা রয়েছে। এর আগে ইমুর পরিচালিত ট্রান্সপোর্ট অফিসে অভিযান চালিয়ে মাদক ও একটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছিল।
