স্ক্র্যাপ ঘোষণায় পুনর্ব্যবহারযোগ্য পণ্য আমদানি বন্ধে এনবিআরের নির্দেশ

ফন্ট সাইজ:

আমদানি নীতি আদেশের ব্যত্যয় ঘটিয়ে ‘স্ক্র্যাপ’ (বর্জ্য ও স্ক্র্যাপ) ঘোষণা দিয়ে পুনর্ব্যবহারযোগ্য পণ্য আমদানি করা যাবে না। এ ধরনের পণ্য আমদানি করলে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) একটি পরিপত্র জারি করেছে। বুধবার জারি করা পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।
এনবিআরের কাস্টমস নীতি শাখার দ্বিতীয় সচিব রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়েছে, আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২০২৯ এবং এর আগের আমদানি নীতি আদেশে শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে প্রকৃত ব্যবহারকারী হিসেবে স্বীকৃত শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে তাদের আমদানি স্বত্ব অনুযায়ী এইচএস হেডিং ৭২.০৪ এবং এর বিপরীতে শ্রেণিবিন্যাসযোগ্য সব এইচএস কোডের আওতায় ওয়েস্ট অ্যান্ড স্ক্র্যাপ আমদানির সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

তবে এনবিআরের নজরে এসেছে, কতিপয় আমদানিকারক স্ক্র্যাপ ঘোষণা দিয়ে পুনর্ব্যবহারযোগ্য এবং অন্য এইচএস কোডের আওতাভুক্ত পণ্য আমদানি করছেন। পরে এসব পণ্য কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আটক করলে তা খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকরা হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করছেন।
পরিপত্রে আরও বলা হয়, কোনো আমদানিকারক আমদানি নীতি আদেশের ব্যত্যয় ঘটিয়ে স্ক্র্যাপ ঘোষণা দিয়ে অন্য কোনো পুনর্ব্যবহারযোগ্য পণ্য আমদানি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিপত্রে রিট পিটিশন নম্বর ৭৫৯৫/২০২৫ ও ৬৪০৬/২০২৫-এর আদেশের বিষয় উল্লেখ করে বলা হয়, আমদানি নীতি আদেশের ব্যত্যয় ঘটিয়ে এ ধরনের পণ্য আমদানি আর অনুমোদনযোগ্য না হলে তা জনসাধারণকে অবহিত করার জন্য আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন।

গত ১ সেপ্টেম্বর আদালত এ বিষয়ে পরিপত্র জারির মৌখিক নির্দেশনা দেন বলেও এনবিআরের পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এনবিআর বলছে, বর্তমানে বলবৎ আমদানি নীতি আদেশে উল্লেখিত এইচএস হেডিং ৭২.০৪ এবং এর বিপরীতে শ্রেণিবিন্যাসযোগ্য সব এইচএস কোডের অধীন স্ক্র্যাপ ছাড়া অন্য কোনো এইচএস কোডের পণ্য অর্থাৎ পুনর্ব্যবহারযোগ্য অন্য কোনো পণ্য-স্ক্র্যাপ ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা যাবে না।