অবৈধ ইসরাইলি বসতির ওপর বৃটেনের নিষেধাজ্ঞা

অবৈধ ইসরাইলি বসতির ওপর বৃটেনের নিষেধাজ্ঞা

ফন্ট সাইজ:

অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরাইলি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে বৃটেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড পার্লামেন্টে এই ঘোষণা দিয়েছেন।
মিলিব্যান্ড বলেন, ইসরাইলি বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে বৃটেন। একই সঙ্গে বসতিগুলোর বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থা চালু করা হবে।
তিনি বলেন, অন্যায় ও মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি শুধু তুলে ধরেই বৃটেন আর দায়িত্ব শেষ করতে পারে না। পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণ ঠেকাতে এখন দেশটিকে ‘পদক্ষেপ নিতে হবে’।

বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,আজ আমরা আরও দুর্ভোগ এবং দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের ধ্বংসের নীরব দর্শক হয়ে থাকবো না।
দীর্ঘদিন ধরে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে বৃটেন। তবে ইসরাইল এই ধারণার ঘোর বিরোধী। এদিকে বৃটেনের এই নিষেধাজ্ঞা পরিকল্পনার সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে ওয়াশিংটন এরই মধ্যে পরিকল্পনাটির বিরোধিতা জানিয়েছে।
অন্যদিকে, দুই ইসরায়েলি মন্ত্রী বৃটেনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিন মিলিব্যান্ড আরও বলেন, পশ্চিম তীরে ইসরাইলের দখলদারিত্বকে অবৈধ বলে মনে করে বৃটেন। একই সঙ্গে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ‘জাতিগত নিধন’ চলছে বলেও লন্ডন মনে করে।
তবে নতুন নিষেধাজ্ঞার কারণে বৃটেন ও ইসরাইলের মধ্যে বছরে প্রায় ৬ বিলিয়ন পাউন্ড (৮.১২ বিলিয়ন ডলার) মূল্যের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিম তীরের ইসরাইলি বসতি থেকে উৎপাদিত পণ্য এবং ইসরাইলের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে বৃটেন কীভাবে পার্থক্য করবে, সে বিষয়টিও এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।