নবায়নযোগ্য সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্দেশ্যে শুল্ক-কর রেয়াতি সুবিধায় যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিপরিষদ।
সোমবার রাতে জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয় বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয।
এতে বলা হয, নবায়নযোগ্য সৌর শক্তি উৎপাদনের প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে ১% এর অতিরিক্ত কাস্টমস ডিউটি, সমুদয় রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আগাম কর এবং অগ্রিম আয়কর প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ হতে ১৮০ দিন পর্যন্ত অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে।
'এর ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতির ফলে জনজীবনে সৃষ্ট ভোগান্তি হ্রাস পাবে, শিল্প উৎপাদন অব্যাহত থাকবে, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পাওয়াসহ যন্ত্রপাতির ক্ষতি কম হবে, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হবে; দ্রুততম সময়ের মধ্যে নবায়নযোগ্য সৌর শক্তি উৎপাদনের মাধ্যমে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ হবে।'
বিবৃতিতে বলা হয়, মন্ত্রিসভা কর্তৃক নবায়নযোগ্য সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্দেশ্যে প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ হতে ৬ মাস পর্যন্ত শুল্ক-কর রেয়াতি সুবিধায় যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে বলে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরামূল্য (প্রতি দশ শলাকা) ‘৬২ টাকা ও তদূর্ধ্ব’-এর স্থলে ‘৬৫ টাকা ও তদূর্ধ্ব’ পুনঃনির্ধারণ করে সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ এবং স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল ব্যবহার বিধিমালা সংক্রান্ত দু’টি প্রজ্ঞাপন পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে নিম্নস্তরের সিগারেটের অবৈধ বাণিজ্য এবং রাজস্ব ঘাটতি হ্রাস পাবে। মন্ত্রিসভা কর্তৃক প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, বৈঠকে বলা হয়-হংকং বিশ্বের অন্যতম উন্নত ও উন্মুক্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল। বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হংকং এর অবস্থান ৬ষ্ঠ। বাংলাদেশের পোশাক, টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন খাতে হংকং এর বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করেছেন। ‘Investment Promotion and Protection Agreement’ উভয়পক্ষের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে, যা শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি ও জ্ঞান স্থানান্তর এবং উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
'চুক্তির আওতায় উভয় পক্ষের বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। চুক্তিটি বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। চুক্তির মেয়াদ দশ বছর। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের ৩ বছর পর উভয়পক্ষ চুক্তি সংশোধন করতে পারবে, এ সংক্রান্ত বিধান খসড়া চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলে উভয়পক্ষের মধ্যে বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য একটি কার্যকর ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হবে।'
মন্ত্রিসভা কর্তৃক বাংলাদেশ ও হংকং-এর মধ্যে Promotion and Protection of Investment Agreement-শীর্ষক চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়
মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক
সৌর বিদ্যুৎ যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক-কর রেয়াতির প্রস্তাব অনুমোদন
স্টাফ রিপোর্টার
অনলাইন
১ ঘন্টা আগে
৮ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার), ২০২৬, ১২ঃ৫৫ (পূর্বাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
