ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রেসিডেন্ট

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রেসিডেন্ট

ফন্ট সাইজ:

দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার পর অবশেষে ঠাকুরগাঁও বিশ্ব-বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর মধ্যদিয়ে জেলায় উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ
তৈরির প্রক্রিয়া একধাপ এগিয়ে গেল। গতকাল দুপুরে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকার আমতলী রেল ঘুণ্টির ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে মহেশালী প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলে ঠাকুরগাঁওসহ আশপাশের জেলার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়বে।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য অন্য জেলায় যাওয়ার প্রবণতা কমবে এবং এ অঞ্চলে শিক্ষা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে এটিই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রথম সরকারি সফর। দুইদিনের সরকারি সফরের দ্বিতীয় দিনে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রেসিডেন্ট বলেন, প্রধানমন্ত্রী খুব অল্প সময়ের মধ্যে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেন এবং পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন। সেই প্রেক্ষাপটে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো। আমি আশা করি, অল্প সময়ের মধ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাইন ও অবকাঠামোর নকশা তৈরি হবে এবং নির্মাণকাজ শুরু হবে। এর আগে রোববার দুপুরে দুই দিনের সরকারি সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছান প্রেসিডেন্ট। তাকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি ঠাকুরগাঁও শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে অবতরণ করে। পরে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী তাকে স্বাগত জানানো হয়। সেখান থেকে তিনি সার্কিট হাউসে যান এবং সেখানে তাকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়।

সার্কিট হাউসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রেসিডেন্ট তার মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন। পরে বিকালে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন। নাগরিক সংবর্ধনায় ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবির কথা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।