‘অনলিফ্যানস’কে প্রতিতাবৃত্তির মতোই বললেন সাবেক ম্যানেজার, যুবসমাজকে বাঁচাতে করছেন বিশ্বজুড়ে প্রচার

‘অনলিফ্যানস’কে প্রতিতাবৃত্তির মতোই বললেন সাবেক ম্যানেজার, যুবসমাজকে বাঁচাতে করছেন বিশ্বজুড়ে প্রচার

ফন্ট সাইজ:

প্রাপ্তবয়স্কদের সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘অনলিফ্যানস’-এর অন্ধকার জগৎ ছেড়েছেন ভিক্টোরিয়া সিনিস। যিশু খ্রিষ্টের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সাবেক এই ‘অনলিফ্যানস’ ম্যানেজার এখন যুবসমাজ, বিশেষ করে তরুণীদের এই প্ল্যাটফর্মের ভয়াবহতা থেকে বাঁচাতে বিশ্বজুড়ে প্রচার চালাচ্ছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই প্লাটফর্মটি মূলত পতিতাবৃত্তির মতোই। এবং এটি তরুণ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য চরম ধ্বংসাত্মক। এ খবর জানিয়েছে ফক্স নিউজ।

মহামারির সময় বাড়তি আয়ের আশায় অস্ট্রেলিয়ার বাসিন্দা ভিক্টোরিয়া একটি অনলিফ্যানস এজেন্সির ম্যানেজার হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি একটি গির্জার প্রার্থনায় অংশ নেওয়ার পর তার উপলব্ধি বদলায়। ভিক্টোরিয়া বলেন, সমাজে ‘যৌন স্বাধীনতা’ বা ‘ক্ষমতায়ন’-এর নামে যা প্রচার করা হচ্ছে, তা আসলে একটি ফাঁদ। এটি নারীদের পাশাপাশি পুরুষদেরও একাকিত্ব, বিষণ্ণতা, উদ্বেগ এবং নিরাপত্তাহীনতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্মে কাজ করার মানসিক পরিণতি এসকর্ট সার্ভিস বা পতিতালয়ে কাজ করার মতোই ভয়াবহ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ভিক্টোরিয়া আরও জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো এই পেশাকে এমনভাবে আকর্ষণীয় করে তুলছে যে, স্কুলপড়ুয়া কিশোরীরাও এর প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। তারা ভাবছে, দ্রুত অর্থ উপার্জন, ভ্রমণকরা ও সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় বুঝি অনলিফ্যানস। তিনি সন্তানদের ইন্টারনেট ব্যবহারের বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেন। অন্যদিকে, অনলিফ্যানস কর্তৃপক্ষ ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, তাদের প্লাটফর্‌মটি নির্মাতাদের স্বাধীনভাবে কনটেন্ট তৈরি ও আয় করার সুযোগ দেয়। ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে তারা বিশ্বজুড়ে নির্মাতাদের ৩ হাজার কোটি (৩০ বিলিয়ন) ডলারের বেশি অর্থ পরিশোধ করেছে।