কালভার্ট নির্মাণ হলেও সড়কের তুলনায় নিচু, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

কালভার্ট নির্মাণ হলেও সড়কের তুলনায় নিচু, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি

ফন্ট সাইজ:

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের বেলতৈল বাজার থেকে রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়ন পরিষদ হয়ে রামচন্দ্রকুড়া গ্রামের সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় পাঁচ বছর আগে পাকা সড়ক নির্মাণের পর ওই সড়কে দু’টি কালভার্ট নির্মাণ করা হলেও কালভার্ট দু’টির উচ্চতা মূল সড়কের তুলনায় নিচু হয়ে রয়েছে।

ফলে কালভার্টের উপর সড়কের সঙ্গে সমতল না থাকায় গর্ত ও উঁচু-নিচু অংশের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিনেও তা সংস্কার বা রাস্তার সঙ্গে সমান করা হয়নি। সরজমিন দেখা যায়, কালভার্টের উপরের অংশ সড়কের তুলনায় নিচু হওয়ায় সেখানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যানবাহন চলাচলের সময় চালকদের ঝুঁকি নিয়ে ওই অংশ পার হতে হচ্ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও ছোট যানবাহন চলাচলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া সড়কের আরও একটি স্থানে দু’পাশ ভেঙে পড়েছে। স্থানীয়রা জানান, রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়ন পরিষদে যাতায়াতের পাশাপাশি ইউনিয়নের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তরাঞ্চলের মানুষও এ সড়ক দিয়ে উপজেলা সদরে যাতায়াত করেন। প্রতিদিন কৃষক, শিক্ষার্থী, রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ সড়ক ব্যবহার করেন। কিন্তু কালভার্টের উপর গর্ত ও সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে বৃষ্টি ও রাতে এ পথে চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় পাঁচ বছর আগে কালভার্ট নির্মাণের পর থেকেই এটি সড়কের তুলনায় নিচু রয়েছে। ফলে কালভার্টের উপর গর্ত সৃষ্টি হলেও এখন পর্যন্ত তা সংস্কার করা হয়নি। দ্রুত কালভার্ট দু’টির উপরের অংশ সড়কের সঙ্গে সমান করাসহ ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন তারা। রামচন্দ্রকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল জলিল মানবজমিনকে বলেন, এই এলাকার মাটি খুবই পিচ্ছিল। তাই বর্ষাকালে চলাচল করা খুবই কষ্টের। এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলী মো. শরাফ উদ্দিন বলেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কালভার্ট ও সড়কের সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।