দলবদলে খেলোয়াড় কেনায় বরাবরই প্রচুর অর্থ খরচ করতে দেখা যায় চেলসিকে। তবে এবার ইংলিশ ক্লাবটি খেলোয়াড় বিক্রিতে গড়লো নতুন ইতিহাস। গ্রীষ্মের দলবদলে খেলোয়াড় বিক্রি করে চেলসি আয় করেছে রেকর্ড ৪৪৮ মিলিয়ন ইউরো— বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার ৩০০ কোটি টাকারও বেশি।
ট্রান্সফারমার্কেটের হিসাব অনুযায়ী, ইউরোপিয়ান ফুটবলে গ্রীস্মকালীন দলবদলের এক মৌসুমে খেলোয়াড় বিক্রি করে এর আগে কোনো ক্লাব এত বেশি আয় করতে পারেনি। আর্থিক নিয়ম মেনে চলা ও আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য ধরে রাখার চাপ থেকেই মূলত চেলসিকে বড় পরিসরে খেলোয়াড় বিক্রির পথে হাঁটতে হয়েছে। আগের রেকর্ডটি ছিল ফরাসি ক্লাব এএস মোনাকোর। ২০১৮-১৯ মৌসুমের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে খেলোয়াড় বিক্রি করে ক্লাবটি মোট ৩৬০ মিলিয়ন ইউরো আয় করেছিল, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি।
এবারের উইন্ডোতে খেলোয়াড় বিক্রির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অ্যাস্টন ভিলা (৩৬০ মিলিয়ন ইউরো) এবং তৃতীয় স্থানে ম্যানচেস্টার সিটি (৩৩৭ মিলিয়ন ইউরো)। চেলসির এই রেকর্ড আয়ের সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে এনজো ফার্নান্দেজের দলবদল থেকে। দলবদলের শেষ দিনে বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারকে ১৪৫ মিলিয়ন ইউরোতে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে বিক্রি করেছে চেলসি। এটি যৌথভাবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ট্রান্সফার ফির রেকর্ডও। এবারের দলবদলে আন্দ্রে সান্তোস ৫৬.৩ মিলিয়ন, নিকোলাস জ্যাকসন ৫৫.৫ মিলিয়ন এবং মার্ক কুকুরেইয়া ৫৫ মিলিয়ন ইউরোতে ক্লাব ছেড়েছেন। এর বাইরে লিয়াম ডেলাপকে ৫২ মিলিয়ন, ট্রেভো চালোবাহকে ৩০ মিলিয়ন, টাইরিক জর্জকে ২১ মিলিয়ন, মার্ক গিয়েহিকে ১৫ মিলিয়ন এবং তোসিন আদারাবিওয়োকে ১১.৭ মিলিয়ন ইউরোতে বিক্রি করেছে চেলসি।
৮ বছর আগে মোনাকোর সেই ঐতিহাসিক উইন্ডোর বড় বিক্রয়গুলো ছিল কিলিয়ান এমবাপ্পে ১৮০ মিলিয়ন ইউরো (প্যারিস সেন্ট জার্মেই), থমাস লেমার ৭২ মিলিয়ন ইউরো (অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ), ফাবিনহো ৪৫ মিলিয়ন ইউরো (লিভারপুল)।
