দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের ৫১২ রানের পাহাড়ের নিচে চাপা পড়তে যাচ্ছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। তখন ম্যাচে লড়াই করাটাই কঠিন মনে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ দিনে বদলে গেল পুরো চিত্র। ব্যাট হাতে একাই যেন ম্যাচের গতিপথ ঘুরিয়ে দিলেন বাংলাদেশ ‘এ’ দলের অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়। আগের দিনই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন। সেখানেই থামেননি হৃদয়। চতুর্থ দিনে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং আক্রমণের ওপর আধিপত্য ধরে রেখে দলকে নিয়ে গেলেন প্রথম ইনিংসে লিডের পথে। যে মাঠে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতেছিলেন, সেই মাঠেই গড়লেন নতুন ইতিহাস। দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমের সেনওয়েস পার্কে অবিশ্বাস্য এক ট্রিপল সেঞ্চুরি হাঁকালেন হৃদয়। ৪৫০ বলে ট্রিপল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। বাংলাদেশের মাত্র তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩০০ রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি।
হৃদয়ের এই অবিশ্বাস্য ইনিংসের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন জাকের আলী। পঞ্চম উইকেটে তার সঙ্গে হৃদয়ের ১৫১ রানের জুটি ম্যাচে বাংলাদেশকে ফিরিয়ে আনে। মাত্র ছয় রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন জাকেরÑ১৬৮ বলে ৯৪ রান করে থামেন তিনি।
এরপর মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে আরও বড় জুটি গড়েন হৃদয়। ষষ্ঠ উইকেটে দুজনে যোগ করেন ১৮৫ রান। সাইফউদ্দিনের অবদান ১৭১ বলে ৮৭। অন্যদিকে, ম্যাচের শুরুতে দাপট দেখিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’। প্রথম ইনিংসে ৫১২ রান করে স্বাগতিকরা। সেই বিশাল স্কোরের জবাব দিতে নেমে তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ ‘এ’ ছিল ৩৭১/৬। সেখান থেকে শেষ দিনে হৃদয়ের ব্যাটে গল্পটাই বদলে গেল।
