ফকল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করা হবে: ট্রাম্প

ফকল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করা হবে: ট্রাম্প

ফন্ট সাইজ:

বৃটেনের নিয়ন্ত্রণাধীন ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এমন মন্তব্যে বৃটেনের ক্ষমতাসীন লেবার দলের সদস্যদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। ন্যাটোর সদস্য দেশ হিসেবে প্রতিরক্ষা খরচ বাড়ানোর জন্য চাপ প্রয়োগ করতেই এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে চাচ্ছেন ট্রাম্প। ফকল্যান্ড দ্বীপ বৃটিশদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে আর্জেন্টিনা দাবি করে এ দ্বীপ তাদের। আর্জেন্টিনার বর্তমান প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্রতা রয়েছে।

ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, আমি সবসময় সব অবস্থান পর্যালোচনা করি। ফকল্যান্ড নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এটিও তার বিবেচনায় রয়েছে। টেলিগ্রাফকে একজন শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, পেন্টাগন ন্যাটো সদস্যদের বাজেটের ৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা ব্যয়ের বিষয়টি ভালোভাবেই খতিয়ে দেখছে এবং এ ক্ষেত্রে বৃটেন বিশেষ নজরদারিতে রয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

তিনি আরও জানান, বৃটেনকে চাপ দিয়ে রাজি করানোর জন্যই ফকল্যান্ড নিয়ে অবস্থান বদলের বিষয়টি ভাবা হচ্ছে। তবে দ্য টাইমসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বৃটিশ চ্যান্সেলর জন হিলি বলেন, প্রতিরক্ষা খাতে বাজেটের ৩ শতাংশ খরচের লক্ষ্যে তারা পুরো অঙ্গীকারবদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্রের এমন পরিকল্পনার কথা শোনেননি জানিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন, ফকল্যান্ডবাসী যতদিন চাইবে ততদিন এ দ্বীপ বৃটিশদেরই থাকবে।

সরকারের এক মুখপাত্রও জানান, ন্যাটোর ইউরোপীয় সদস্যদের মধ্যে একমাত্র বৃটেনেরই নিজস্ব পরমাণু অস্ত্র রয়েছে এবং তারা ফকল্যান্ডকে বৃটিশ ভূখণ্ড হিসেবে রাখতেই অনড় থাকবে। এর আগে এপ্রিলেও পেন্টাগনের এক গোপন চিঠিতে ফাঁস হয়েছিল যে, ইরান যুদ্ধে বৃটেনের সমর্থন না পাওয়ায় ফকল্যান্ড নিয়ে সমর্থন তুলে নেয়ার হুমকি দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।