বিগত সরকার আমলে বিশেষ করে ২০২৪-এর ৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে স্থবির হয়ে পড়া নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের কার্যক্রম ঢেলে সাজানোর দাবি উঠেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল ছাড়াও ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সংগঠন থেকে এ দাবি তোলা হয়েছে নবনির্বাচিত কমিটির কাছে। গত ২২শে আগস্ট উৎসবমুখর পরিবেশে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে মাত্র ৪ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান, নীলফামারী চেম্বারের একাধিকবার নির্বাচিত সভাপতির দায়িত্ব পালন করা সোহেল পারভেজ। নির্বাচনে তাকে হারিয়ে মাহবুব-উর-রহমান সভাপতি নির্বাচিত হন। নির্বাচনে মাহবুব-উর-রহমান ২৮০ জন ভোটারের সমর্থন পেলেও সোহেল পেয়েছেন ২৭৬ জন ভোটারের সমর্থন।
নির্বাচনে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে রাজ কুমার পোদ্দার, সহ-সভাপতি পদে মো. আকতার হোসেন স্বপন, সাধারণ গ্রুপে গোলাম মোস্তফা রঞ্জু, মুক্তার হোসেন, সুশান্ত কুমার, মো. হাসানুজ্জামান, মো. তারিকুল ইসলাম, তাপস কুমার সাহা, মো. মনিরুজ্জামান চৌধুরী, মো. রেজওয়ান আহমেদ, মো. আকিবুর রহমান, সাকিল আহমেদ, মশগুল ইসলাম, মো. মাহবুবর রহমান সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া সহযোগী গ্রুপে মো. আবুল কালাম মিন্টু, মোহাম্মদ মমতাজ, মোবাশ্বের আলম প্রিন্স, মো. মতিয়ার রহমান এবং আজিজুল ইসলাম নির্বাচিত হন। এদিকে নবনির্বাচিত কমিটির অন্যতম সদস্য অংকুর এগ্রো ও ব্লিং লেদার পোডাক্টস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসানুজ্জামান নীলফামারী চেম্বারকে ব্যবসায়ীবান্ধব ও গতিশীল করতে এক হয়ে সকলকে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিগত সময়ে নীলফামারী চেম্বারের ভূমিকা নিয়ে ব্যবসায়ী মহলে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। ওদিকে নির্বাচনে ৯৫.৯৫ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বলে জানান, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান এডভোকেট আবু মোহাম্মদ সোয়েম।
