নেত্রকোণার মদন উপজেলায় ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ১১ বছর বয়সী শিশুর জন্ম নেওয়া নবজাতকের সঙ্গে অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএ পরীক্ষায় মিল পাওয়া গেছে। সোমবার সন্ধ্যায় নেত্রকোণা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘ডিএনএ প্রতিবেদনে অভিযুক্ত ও নবজাতকের মধ্যে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল পাওয়া গেছে। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হতে পারে।’
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২৩ এপ্রিল মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আমান উল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করেন ১১ বছর বয়সী শিশুটির মা। অভিযোগে বলা হয়, আমান উল্লাহ শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন, ফলে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়।
গত ২ জুলাই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১ বছর বয়সী শিশুটি ওই কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়।
ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা ১১ বছরের শিশু
নবজাতক ও অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষকের ডিএনএর মিল পাওয়া গেছে
স্টাফ রিপোর্টার
বাংলারজমিন
১ ঘন্টা আগে
২৫ আগস্ট (মঙ্গলবার), ২০২৬, ১০ঃ৪১ (পূর্বাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
