ডুমুরিয়ায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পে সাশ্রয়কৃত ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা কোষাগারে জমা দিয়ে প্রশংসিত হয়েছেন ডুমুরিয়ার ইউএনও। কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) আওতায় প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে সাশ্রয় হয় এই অর্থ। স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রকল্প থেকে সাশ্রয় হওয়া টাকা কোষাগারে জমা দেয়ার বিষয়টিকে সাধুবাদ জানানোর পাশাপাশি প্রশংসা করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সহ স্থানীয়রা।
জানা যায়, উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর নিমতলা থেকে বিলডাকাতিয়া হয়ে রংপুর সাড়াতলা দক্ষিণ পার্শ্ব আশি ফুট পর্যন্ত সাহস ইউনিয়নের ডোলডাঙ্গা খাল থেকে কাঠবুনিয়া তেলিখালি গেট অভিমুখে ভদ্রা নদী পর্যন্ত। দু’টি খাল পুনঃখননের জন্য ৩ কোটি ৯ লাখ ৬ হাজার ৭৬৯ টাকা বরাদ্দ দেয়। প্রকল্পের আওতায় খাল খননের পাশাপাশি প্রায় ৫ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। শ্রমিকদের মজুরিসহ বিভিন্ন ব্যয় মেটানোর পর অবশিষ্ট ১ কোটি ৩৬ লাখ ৩১ হাজার ১৯ টাকা নিয়ম নীতি মেনেই সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের কাজ চলাকালীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের তদারকি কমিটি শেষ পর্যন্ত দেখভাল করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে কথা বললে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবিতা সরকার মানবজমিনকে বলেন, প্রকল্পের টাকা মানেই আমার দেশের জনগণের টাকা, তাই সেই টাকার যথাযথ ব্যবহার করাকে দায়িত্ব বলে মনে করি। সকল প্রকার বিল পরিশোধের পর ১ কোটি ৩৬ লাখ ৩১ হাজার ১৯ টাকা সাশ্রয় ছিল- সেই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে।
