‘অভিবাসন যখন নিরাপদ, নিয়মিত এবং সুশৃঙ্খল হয়, তখন এর সুফল একক অভিবাসীর বাইরেও পরিবার, সমাজ এবং বাংলাদেশের বৃহত্তর উন্নয়নে পৌঁছাতে পারে। প্রতিটি রেমিট্যান্স বাংলাদেশি অভিবাসীদের কঠোর পরিশ্রম, সহনশীলতা ও প্রতিশ্রুতির সাক্ষ্য বহন করে। রেমিট্যান্সের একটি অংশ এসএমই—তে বিনিয়োগ করলে তা কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী করাসহ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন সুযোগ উন্মুক্ত করতে পারে।’ শনিবার এফডিসিতে আন্তর্জাতিক পারিবারিক রেমিট্যান্স দিবস—২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বাংলাদেশ-এর চিফ অব মিশন লরা টম্ বনদ এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অভিবাসন ব্যবস্থাপনা আরও মানসম্মত করতে এবং অভিবাসীদের সুরক্ষায় আইওএম সরকারের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।’
ছায়া সংসদে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইওএম বাংলাদেশ এর অভিবাসন নীতি ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ড. ঈশিতা শ্রুতি।
হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, ‘অভিবাসীদের রেমিট্যান্সের কারণেই দেশের অর্থনীতির দৃশ্যমান উন্নতি হচ্ছে। তাদের প্রেরিত অর্থ বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি। রেমিট্যান্স যোদ্ধারাই দেশের রিয়েল হিরো। অর্থনৈতিক চালিকাশক্তির মূল নায়ক। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার পাশাপাশি রেমিট্যান্স স্থানীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
‘এসএমই খাতে রেমিট্যান্সের বিনিয়োগ অভিবাসী পরিবারের সুরক্ষায় সর্বোত্তম কৌশল’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর বিতার্কিকদের পরাজিত করে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি ও আইওএম বাংলাদেশ যৌথভাবে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে। এতে সহযোগিতা করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
