দীর্ঘদিন ধরে খনন না হওয়ায় অযত্ন, অবহেলায় পুরোপুরি ভরাট হয়ে গেছে চট্টগ্রাম হাটহাজারী উপজেলার মিঠাছড়া খাল। একদিকে জলাবদ্ধতা, অন্যদিকে পানির প্রবাহ না থাকায় বছরের পর বছর চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় কৃষকদের। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে এই মিঠাছড়া খালটি খননের মাধ্যমে চট্টগ্রামে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। তার ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও বায়েজিদ আংশিক) আসনে সংসদ সদস্য হয়ে সবার প্রথমেই খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
মিঠাছড়া খালটি উপজেলার খাদ্য গুদাম থেকে মাঝারি খাল পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত পুরোপুরি ভরাট হয়ে গেছে। হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের যৌথ উদ্যোগে প্রথম পর্যায়ে দুই কিলোমিটার পর্যন্ত খাল খনন করা হবে। খাল খননের ফলে জলাবদ্ধতা যেমন কমবে তেমনি সেচের পানির প্রাপ্যতা তৈরি হওয়ায় কৃষকরা উপকৃত হবে বলে জানান প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন বলেন, মিঠাছড়া খালটি পুনঃখনন করা হলে পানি সঠিকভাবে আসবে এবং কৃষকরা খুব সহজেই পানি পাবেন। নতুন করে অনেকগুলো কৃষিজমি চাষের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে। কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী তমাল দাশ বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা দুই কিলোমিটার খাল খনন করবো। পরবর্তীতে আমরা পুরো খালটা খনন করবো।
দীর্ঘদিন পর খাল খনন শুরু হওয়ায় খুশি প্রান্তিক কৃষকরা। দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, দখলকৃত খাল দ্রুত উদ্ধার করা হবে। যতগুলো অবৈধভাবে স্থাপনা আছে, খালগুলোকে ব্লক করে রেখেছে, অবশ্যই এগুলোকে উচ্ছেদ করা হবে। হাটহাজারীতে ছোট-বড় ১৫০টি খালের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ খালগুলো আগে খনন করা হবে বলে জানান তিনি।
শহীদ জিয়ার খাল পুনঃখননের কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
২ মার্চ (সোমবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
