জুলাই গণঅভ্যুত্থানে একটি আওয়াজ বেশ জোরদার হয়ে উঠেছিল। আওয়াজটি ছিল সংস্কারের। আমাদের রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক কাঠামোর প্রায় সর্বস্তরে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তখন বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল। তখন মানুষের মনে এই উপলব্ধিই কাজ করেছিল যে প্রচলিত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন বা ন্যায়ের বা সৎ শাসন কায়েম সম্ভব নয়।
আমরা প্রচলিত এই শাসনব্যবস্থা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছি মূলত ইংরেজ শাসকদের কাছ থেকে। আমলা নির্ভর শাসন, প্রশাসনকে জনগণের শাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যগুলো ইংরেজরা যেভাবে প্রতিষ্ঠা করে রেখে গেছে, আজ অবধি আমরা সেই সব ব্যবস্থাকে সেইভাবেই বহাল রেখেছি। ইংরেজ শাসনের অবসান ঘটেছে আজ থেকে প্রায় আশি বছর আগে, পাকিস্তানি দুঃশাসন থেকেও মুক্ত হয়েছি ছাপান্ন বছর হয়ে গেল, কিন্তু দেশের মানুষ মুক্ত হতে পারল না ইংরেজদের চাপিয়ে যাওয়া শৃঙ্খল থেকে, যা পাকিস্তানিরা আরও কঠোরভাবে ব্যবহার করেছিল। তাদের আইন-কানুন, তাদের বিধি ব্যবস্থাতেই আমাদের হাত-পা এখনও বাঁধা।
ইংরেজ প্রবর্তিত ব্যবস্থাতে আমলাতন্ত্র অপরিহার্য। আমলা ছাড়া শাসনকাজ চলবে না। কিন্তু স্বাধীনতার পরও আমলাদের চরিত্র, মন-মানসিকতাক্ সেই ইংরেজ শাসন আমলের মতোই রাখা হয়েছে। তারাই রাষ্ট্রের প্রকৃত শাসক, তারা জনগণকে নিপীড়ন করার, গুলি চালাবার ক্ষমতা রাখে। পুলিশের ক্ষমতার ওপর কারও নিয়ন্ত্রণ নেই। বরঞ্চ তাদেরই নিয়ন্ত্রণে থাকে সরকার এবং প্রশাসন। তাদের নির্যাতন-নিপীড়নের পক্ষে সাফাই গাইতে হয় সরকারকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভূমিকা পালন করেন পুলিশের মুখপাত্র হিসেবে। কয়েকটি ঘটনার উল্লেখ করা যেতে পারে। বাহাত্তর বা তিয়াত্তর সালের দিকে, তখন বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন টাঙ্গাইলের আবদুল মান্নান। তখন খুলনার কোনো একটি গ্রাম এলাকায় পুলিশের গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। বোধহয় একজন গ্রামবাসী নিহতও হয়েছিলেন। পরিস্থিতি এমনই গুরুতর ছিল যে খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ছুটতে হয়েছিল সেখানে। ফিরে এসে তিনি জানিয়েছিলেন স্বাধীনতাবিরোধী আন্ডারগ্রাউন্ড পার্টির সন্ত্রাসীরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছিল, সে কারণেই পুলিশকে গুলি চালাতে হয়।
নব্বইয়ের দশকে বেগম খালেদা জিয়া যখন শাসন ক্ষমতায় তখন এক বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে একটি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার সময় ক্লাবে পুলিশের হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেখানে সাংবাদিকদের তারা লাঠিপেটা করেছিল। ক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ সমাবেশ করেছিল। খবর পেয়ে তখনকার তথ্যমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা দ্রুত ছুটে এসেছিলেন। তিনি এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু সংসদে পাঠ করা এক বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মতিন বললেন, দুস্কৃতকারীরা প্রেস ক্লাবে গিয়ে আশ্রয় নিলে পুলিশ তাদের ধরতে ক্লাবে প্রবেশ করে। এ সময় সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল। সেই অন্ধকারে পুলিশ সাংবাদিকদের চিনতে পারেনি। তার বিবৃতিটি ছিল সর্বৈব অসত্য, কারণ তখন সময়টা সন্ধ্যা ছিল না, তখন ছিল ঝকঝকে বিকেল।
আসলে বৃটিশদের রেখে যাওয়া শাসন ব্যবস্থায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পুলিশের পক্ষেই অবস্থান নিতে হয়। এ ব্যবস্থার কোনো সংস্কার বা সংশোধন হলো না। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিভিন্ন বচন তো স্মরণীয় হয়ে রয়েছে। গুলিতে নিহত বাবার কোলে বসা শিশুর মৃত্যু নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন বলেছিলেন, আল্লার মাল আল্লায় নিয়ে গেছে। সাভারে বহুতল গার্মেন্টস ভবন রানা প্লাজা ধসের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর বলেছিলেন, বিএনপি কর্মীরা ভবনটির পিলার ধরে জোরে জোরে ধাক্কাধাক্কি করায় এটি ধসে পড়েছে।
আমলাতন্ত্র ও পুলিশি শাসনের বিরুদ্ধে মানুষের অভিযোগ যুগ যুগ ধরে। যুগ যুগ ধরেই তারা এই দুই তন্ত্রের সংস্কার চাচ্ছে। কিন্তু প্রকৃত অর্থে এই দাবি একটি রাজনৈতিক ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক দল যখন রাস্তায়, তখন তারা এই দাবিতে সোচ্চার হয়, কিন্তু ক্ষমতায় গেলেই তারা তাদের রক্ষাকর্তা হিসেবে এদেরকে আঁকড়ে ধরে। রাজনৈতিক দলগুলোর এই দ্বিচারিতা এবং আদর্শহীনতার কারণেই স্বাধীন দেশের মানুষদের পরাধীন আমলের মতোই আমলাতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার জোয়াল বহন করে চলতে হচ্ছে।
এই কারণেই রাষ্ট্রব্যবস্থায় সংস্কারের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর এর প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভূত হয়েছিল। জুলাই অভ্যুত্থান এ ক্ষেত্রে পরিবর্তনের একটি অনুকূল ক্ষেত্র তৈরি করেছিল। হাসিনার পলায়নে সর্বত্র সৃষ্টি হয়েছিল শূন্যতা। শাসন ক্ষমতায় কেউ নেই, কর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিল আমলা ও পুলিশ বিভাগ, প্রশাসন একবারে স্থবির। এটাই ছিল সংস্কারের একটি বড় সুযোগ। কিন্তু তা হয়নি। হয়নি কারণ অভ্যুত্থানকারীদের তেমন কোনো লক্ষ্য বা কর্মসূচি ছিল না। তাদের লক্ষ্য ছিল একটাই, হাসিনাকে উৎখাত করা। বলাই হয়েছে আন্দোলন ছিল এক দফার। আন্দোলন সফল হয়েছে, হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে পালিয়েছেন। তার সমর্থকরা যারা পেরেছে পালিয়েছেন, যারা পালাবার সময় পায়নি তার ধরা পড়েছেন। আর দেশ চলেছে সেই পুরনো পদ্ধতিতেই।
ড. ইউনূস প্যারিস থেকে উড়ে এসে গঠন করেছেন তার সরকার, যাকে বলা হলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। অন্তর্বর্তী কথাটির অর্থ দাঁড়ায় দুই সরকারের মধ্যবর্তী সময়ের সরকার। অর্থাৎ, হাসিনা সরকারের পর নতুন সরকার না আসা পর্যন্ত সময়ের সরকার। সেই কাজটিই করে গেছে ইউনূস সরকার, নতুন নির্বাচন দিয়ে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা করে তাদের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়ে গেছে। অথচ প্রত্যাশা ছিল একটি পরিবর্তনের।
ড. ইউনূস এবং তার সরকার ক্ষমতায় বসেছিল সংবিধান বহির্ভূতভাবে। সংবিধানে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো বিধান নেই। একদা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে বিধান করা হয়েছিল শেখ হাসিনা নিজের হাতে নির্বাচন পরিচালনার ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য সে বিধান রদ করেছিলেন। সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য নির্দিষ্ট বিধি-বিধান ছিল। তাদের কার্যকালের মেয়াদ ছিল ৯০ দিন। এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান করে নির্বাচিতদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে তাদের বিদায় নিতে হয়েছে। ৯০ দিনের জন্য রাষ্ট্রের শাসন ক্ষমতা তাদের হাতে ছিল, তবে জরুরি কোনো বিষয় ছাড়া তারা অধ্যাদেশ জারি কিংবা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন না।
ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষেত্রে এমন কোনো বিধিবিধান ছিল না। তাদের কার্যকালের কোনো মেয়াদ ছিল না কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধও ছিল না। তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের সুপারিশ প্রণয়নের জন্য কয়েকটি কমিশন গঠন করেছিলেন। কিন্তু এই সব সুপারিশ দিয়ে তারা কি করবেন তা স্পষ্ট ছিল না। কমিশনগুলোর সুপারিশ প্রণয়ন সময়সাপেক্ষ ব্যাপার এটা নিশ্চয় তাদের ধারণার বাইরে ছিল না। তারা যে এইসব সুপারিশ বাস্তবায়নের সময় পাবেন না এটাও তারা নিশ্চিতভাবেই জানতেন। তারা যে তিনটি লক্ষ্য নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন সেগুলো ছিল হাসিনার স্বৈর শাসনের সহযোগীদের বিচার, সংস্কার এবং নির্বাচন। বিচার ও সংস্কারের কাজ সম্পাদন করতে যে সময়ের প্রয়োজন তা তারা পাবেন না এটা ছিল সূর্যালোকের মতো স্পষ্ট। তারা জনগণের কাছ থেকে এমন কোনো ম্যান্ডেটও নেননি যে, এ দু’টি কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা ক্ষমতায় থাকবেন। বরঞ্চ রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে তারা পেয়েছিলেন অনতিবিলম্বে নির্বাচন অনুষ্ঠানের তাগিদ।
রাজনৈতিক দলগুলো একটি অসাংবিধানিক শাসনব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে সংবিধানের ধারায় ফিরতে ব্যগ্র হয়ে উঠেছিল। তাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল নির্বাচন, সংস্কার পরে। নির্বাচনে নতুন সরকার ক্ষমতায় এলে সংস্কারের ভাগ্যে কী ঘটবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল সংশ্লিষ্টদের। অভ্যুত্থানের এক বছর দুই মাস পরে প্রণীত জুলাই সনদ নামে একটি ঘোষণাপত্রের সমর্থনে নির্বাচনের দাবি জানানো ২৫টি রাজনৈতিক দলের স্বাক্ষর নেয়া হয়। তাদের সমর্থন আদায় করা হলেও এগুলো বাস্তবায়নে তাদের ওপর কোনো বাধ্যবাধকতা আরোপিত হয়নি। সাধারণ নির্বাচনে এই সনদের ওপর গণভোটও গ্রহণ করা হয়। সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে রায় আসে। কিন্তু তারপর?
নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় জয়ী হয়ে বিএনপি এখন রাষ্ট্রের ক্ষমতায়। সাংবিধনিকভাবে তারা এখন শক্ত মাটির ওপর দাঁড়িয়ে। পায়ের তলায় মাটি শক্ত হলেও এই সনদ বাস্তবায়ন তাদের পক্ষে সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন হবে, এমন কিছু বিষয় সংশোধন করতে হবে যা দেশের রাষ্ট্র কাঠামোর মূল ভিত্তিতেই আঘাত করতে পারে। সংবিধানের প্রতি অনুগত বিএনপি সরকার এমন ঝুঁকি নেবে কিনা তাই এখন লক্ষ্য করার বিষয়।
মূল কথায় আসি। জুলাই সনদের এই সব ধারা কার্যকর করলেই কি আমাদের জাতীয় চরিত্রে পরিবর্তন সাধিত হয়ে যাবে? দুর্নীতি, অনাচার, অপশাসন ইত্যাদির কি অবসান ঘটবে? মানুষ কি সৎ, নিঃস্বার্থ জীবন-যাপনে উৎসাহী হয়ে উঠবে? এভাবে ওপর থেকে চাপিয়ে দিয়ে কি মানুষের চরিত্র সংশোধন করা যাবে? দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে ছিল বিএনপি। গণঅভ্যুত্থানের ফল হিসেবে তাদের ক্ষমতায় অধিষ্ঠান।
কিন্তু তাদের এই ছয় মাসে আমরা কী দেখছি? ছয় মাস বেশি সময় নয়, তবুও এই ছয় মাসেই তাদের কর্মীরা, যারা এতদিন হামলা-মামলা, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন, তারা কী রূপে আবির্ভূত হয়েছেন? বর্তমানে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চাঁদাবাজি, দখলবাজি, ক্ষমতার দাপটের অভিযোগ আসছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারীরা বিপ্লব হিসেবে অভিহিত করেছে। নিঃসন্দেহে লক্ষ জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিপুল আত্মত্যাগ ও রক্তপাতের মধ্য দিয়ে সরকার উৎখাতে সফল হওয়া যে আন্দোলন তাকে বিপ্লবই বলা যায়। তবে সরকারকে উৎখাত ছাড়াও বিপ্লবের আরও কিছু উপাদান থাকতে হয়, যা এই আন্দোলনে ছিল না। একটি বিপ্লব সংঘটিত হয় একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে, তাদের থাকে একরৈখিক আদর্শ ও লক্ষ্য। তারা ক্ষমতায় গিয়ে শাসনব্যবস্থার প্রচলিত সব বিধিবিধান বাতিল করে তাদের নিজেদের লক্ষ্য বাস্তবায়ন করে। বিশ্বের কমিউনিস্ট বিপ্লবগুলো কিংবা ইরানের ইসলামী বিপ্লবের দিকে তাকালে এই অভিজ্ঞতাই অর্জন করা যায়।
বাংলাদেশের জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে তাদের আদর্শ বা লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংঘটিত হয়নি। এ আন্দোলন ছিল কেবলমাত্র শেখ হাসিনাকে উৎখাত করার লক্ষ্যে দল-মত নির্বিশেষে লক্ষ-কোটি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে একটি সফল অভ্যুত্থান। লক্ষ্য হাসিল হওয়ার পর এই লক্ষ মানুষ ঘরে ফিরে গেছে। অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী একটি ছোট অংশ একটি দল গঠন করে রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছে। এই দলটি নিশ্চয় আন্দোলনকারী পুরো জনতাকে প্রতিনিধিত্ব করে না।
দেশে দেশে সংঘটিত বিপ্লবের ইতিহাসে দেখা যায়, বিপ্লবে নেতৃত্ব দানকারীরাই শাসন ক্ষমতা হাতে নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করেন। তারা কেউ সংবিধান রদ করে পুরনো বিধিবিধানের বদলে নতুন শাসন ব্যবস্থা চালু করেননি। তারা ড. ইউনূসকে প্যারিস থেকে ডেকে এনে তার হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছেন। হাতে গোনা কিছু কাজ ছাড়া আহামরি তিনি কিছুই সংস্কার করে যেতে পারেননি।
নিউইয়র্ক, ১৯ আগস্ট।
জুলাই অভ্যুত্থান ও সংস্কার প্রস্তাব
মনজুর আহমদ
মত-মতান্তর
১ ঘন্টা আগে
২০ আগস্ট (বৃহস্পতিবার), ২০২৬, ১২ঃ২৩ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
