‘নির্বাচনে ন্যক্কারজনকভাবে টাকার ছড়াছড়ি হয়েছে’

‘নির্বাচনে ন্যক্কারজনকভাবে টাকার ছড়াছড়ি হয়েছে’

ফন্ট সাইজ:

সর্বশেষ রোজিনাকে রুপালি পর্দায় দেখা গিয়েছিল সরকারি অনুদানে নির্মিত নিজের পরিচালনায় ‘ফিরে দেখা’ সিনেমায়। সেটা ২০২৩ সালের জুন মাসের কথা। এরপর আর নতুন কোনো সিনেমায় পাওয়া যায়নি এ অভিনেত্রীকে। প্রায় দুই বছর বিরতির পর নতুন সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। মোহাম্মদ ইকবাল পরিচালিত এ সিনেমাটির নাম ‘গুলশানের চামেলি’। দ্রুতই এর শুটিং শুরু হবে। সিনেমাটিতে আপনার চরিত্রের গুরুত্ব কতোটুকু? উত্তরে রোজিনা মানবজমিনকে বলেন, গুরুত্বহীন কোনো চরিত্রে অভিনয় করবো না- এ নিশ্চয়তাটুকু আমি দিতে পারি।

কথা প্রসঙ্গে এ অভিনেত্রী বলেন, বাংলা সিনেমার অবস্থা তো এখন তলানিতে ঠেকেছে। এ খরার মধ্যে দেশীয় শিল্পীরা হতাশায় রয়েছেন। এর মধ্যে প্রতিবেশী দেশের শিল্পীদের কেন এত গুরুত্ব দেয়া হয়, সেটা আমার বোধগম্য নয়। অবশ্যই শিল্পীদের কোনো বাউন্ডারি নেই। যেমন, আমাদের দেশের জয়া আহসান নিয়মিত কলকাতার সিনেমায় কাজ করছেন। তবুও একজন সিনিয়র শিল্পী হিসেবে নতুন প্রযোজকদের অনুরোধ করবো, দেশীয় শিল্পীদের গুরুত্ব দিতে। নতুন প্রজন্মের ছোট পর্দার অনেক প্রতিভাবান অভিনেত্রী রয়েছেন তাদের বিষয়ে ভাবতে।

ইতিমধ্যে তারা অনেকেই বড় পর্দায় তাদের মেধা তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়লাভ করতে পারেননি। একাধিক সিনিয়র শিল্পীরই একই অবস্থা হয়েছে। এ বিষয়ে কী বলতে চান? রোজিনা বলেন, আমি কারও সমর্থনের কাঙাল না। সর্বোচ্চ শ্রদ্ধেয় একজন অভিনেত্রী এবং আমার স্নেহের শিল্পীদের অনুরোধ রাখতে গিয়ে নির্বাচন করেছিলাম। এবারের নির্বাচনে ন্যক্কারজনকভাবে টাকার ছড়াছড়ি হয়েছে, যা আমাকে অবাক করে দিয়েছে। নির্বাচিত কিছু নারী শিল্পী দম্ভ করে বলেছেন, তাদের নির্বাচিত করলে তারা লাখ লাখ টাকা ডোনেশন এনে দিতে পারবেন। আচ্ছা, ওইসব শিল্পীকে দেশবাসী কতোটুকু চেনেন- প্রশ্ন রেখে গেলাম।