ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা থেকে দোহার উপজেলার পালামগঞ্জ যাওয়ার প্রধান সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পথচারী ও যানবাহনের চালকদের। বিশেষ করে বান্দুরার হাসনাবাদ গির্জার পেছনের অংশে সড়ক ভেঙে যাওয়ায় সেখানে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রতিদিন চলাচলকারী মানুষ ও যানবাহনের দুর্ভোগ বেড়েছে। সরজমিন দেখা যায়, সড়কের উপর জমে থাকা পানির কারণে পথচারীদের পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। রিকশা ও অন্যান্য ছোট যানবাহন চলাচলের সময় পানিতে ঢেউ সৃষ্টি হয়ে ভোগান্তি আরও বাড়ছে। একইসঙ্গে সড়কের পাশে নির্মাণসামগ্রী ও ইটের স্তূপ থাকায় চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। পানি জমে থাকায় স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি প্রায়ই দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত সরে যেতে পারে না। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। হাসনাবাদের বাসিন্দা আলীম হোসেন বলেন, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করেন। বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায়। কয়েক সপ্তাহ ধরে জমে থাকা পানির কারণে আমাদের চলাচলে অনেক কষ্ট হচ্ছে।
পানি পচে মশার প্রজননস্থলে পরিণত হয়েছে, ফলে ডেঙ্গুর আশঙ্কাও বাড়ছে। স্থানীয় আরেক বাসিন্দা আমিন বলেন, পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে যায়। শুধু সাময়িকভাবে পানি সরিয়ে দিলে হবে না, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করতে হবে। এদিকে সড়কের পাশে ইট ও নির্মাণসামগ্রী পড়ে থাকায় কোথাও কোথাও চলাচলের জায়গা আরও সংকুচিত হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি সড়কের প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং পাশের নালা-নর্দমা পরিষ্কার করা হলে জলাবদ্ধতা অনেকটাই কমানো সম্ভব। স্থানীয় বাসিন্দারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।
