মাছের পোনা উৎপাদনে বিশেষ অবদান ও মৎস্য খাতে অনন্য সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় মৎস্য পদক ২০২৬ এর স্বর্ণপদক অর্জন করেছে নোয়াখালীর স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ও মৎস্য খামারি আলাউদ্দিন ফিশারিজ। রোববার কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার মিনি স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে মৎস্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাঝে এই পদক বিতরণ করা হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আলাউদ্দিনের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন।
মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের মোট ১৪ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হাতে জাতীয় মৎস্য পদক বিতরণ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে মিঠাপানির মাছ উৎপাদনের সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ১৬ লাখ নারীসহ মোট ২ কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মৎস্য খাতের ওপর নির্ভরশীল। তাই পরিকল্পিত ও যথোপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়া হলে এই খাতে বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে। জানা যায়, নোয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর এবং সুবর্ণচর উপজেলার চরক্লার্ক এলাকায় প্রতিষ্ঠানটি তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। উন্নত ও গুণগতমানের কার্প জাতীয় মাছের পোনা উৎপাদন, সঠিক সরবরাহ এবং আধুনিক মাছ চাষ সম্প্রসারণে প্রতিষ্ঠানটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি ২১টি পুকুরের মোট গুণগতমানের পোনা সরবরাহ এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার প্রতিষ্ঠানটিকে স্বর্ণপদকের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকার প্রাইজমানি ও ব্যাংক চেক প্রদান করে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই জাতীয় স্বীকৃতি নোয়াখালী জেলার মৎস্য খাতে পোনা উৎপাদন ও আধুনিক মৎস্য চাষ সম্প্রসারণে নতুন উদ্দীপনা ও গতির সঞ্চার করবে।
