ফল নিয়ে ভাবছেন না শান্ত

ফল নিয়ে ভাবছেন না শান্ত

ফন্ট সাইজ:

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার ও ধারাভাষ্যকার জেসন গিলেস্পির ধারণা, চতুর্থ দিনে ডারউইন টেস্টের উইকেটের চরিত্রে পরিবর্তন আসবে। পেসবান্ধব কন্ডিশনের পরিবর্তে বোলারদের ওপর ছড়ি ঘোরানোর সুযোগ পাবেন ব্যাটাররা। কন্ডিশন ব্যাটারদের পক্ষে থাকলেও এই টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের সম্ভাবনা ক্ষীণ- অন্তত স্কোরকার্ড দেখলে এই ব্যাপারটা আঁচ করা যায়। স্কোরকার্ড বাংলাদেশের পক্ষে থাকলেও টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তের ফল নিয়ে সেরকম ভাবনা কিংবা চিন্তা নেই। প্রথম তিনদিনের মতো সেশন ধরে এগোতে চান টাইগার অধিনায়ক।

ডারউইন টেস্টের আগে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দু’টি টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ। ২০০৩ সালে হওয়া দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই হয়েছিল টাইগাররা। ২৩ বছর পর সেই অস্ট্রেলিয়ার গিয়ে ভিন্ন বাস্তবতার সামনে বাংলাদেশ। অজিদের মাটিতে প্রথমবার সাদা পোশাকে জয়ের দোরগোড়ায় টাইগাররা। অবশ্য এখনই ম্যাচের ফল নিয়ে ভাবনা নেই নাজমুল হোসেন শান্তের। পরিকল্পনামাফিক খেলার লক্ষ্য তার। তৃতীয় দিন শেষ ফক্স স্পোর্টসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে শান্ত জানান, ‘আমরা সেশন বাই সেশন পরিকল্পনা করছি। ফলাফলের কথা চিন্তা না করে আমাদের পরিকল্পনা ধরে আগাচ্ছি। কীভাবে আমরা উইকেটগুলো নিতে পারি আমরা শুধু সেটাই ভাবছি।

আমাদের বোলাররা এই কন্ডিশনে যেভাবে বোলিং করছে তা সত্যিই দারুণ।’ অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে জিম্বাবুয়ের কাছে হারারে টেস্টে লজ্জাজনক হারের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংস ও ৮৫ রানের ব্যবধানে হার দেখে টাইগাররা। এমন বিবর্ণ পারফরম্যান্সের পর অস্ট্রেলিয়ায় আসার আগে টেস্টের পাঁচদিন খেলার আশা প্রকাশ করেন শান্ত। আপাতত সেই লক্ষ্য পূরণের পথে অনেকটাই সফল তার দল। এ নিয়ে সন্তুষ্ট শান্ত। তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনা ছিল পাঁচদিন অন্তত খেলতে হবে। যেভাবে আমরা আমাদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছি, যেভাবে আমরা গত ২-৩ দিন ক্রিকেট খেলেছি, সেটা সত্যিই দুর্দান্ত ছিল। পুরো দলকে এভাবে খেলতে দেখে ভালো লাগছে।’

এই টেস্টে বাংলাদেশের লোয়ার অর্ডার ও টেল এন্ডার ব্যাটারদের পারফরম্যান্সও আলাদা করে নজর কেড়েছে। এই পজিশন থেকে ১১০ রান তুলেছে বাংলাদেশ। এই দিকটির উন্নতিতে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ চলছে বলে জানান শান্ত। তিনি বলেন, ‘আমরা সবসময় ভেবেছি, কীভাবে মিডল অর্ডার ও লোয়ার অর্ডার ব্যাটিংয়ে অবদান রাখতে পারে। আজকে বোলাররা দেখিয়েছে তারা ব্যাট হাতে কী করতে পারে। আমরা এই জিনিসটা নিয়েই ২-৩ বছর ধরে কাজ করছি।’