চীন বিশ্বের কয়েকটি প্রধান অর্থনীতির মধ্যে অন্যতম যা ইরানের সঙ্গে শক্তিশালী বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে। কিছু বিশ্লেষক বলেন, বেইজিং ইরানি তেল ক্রয়ের মাধ্যমে ইরানের সরকারকে সমর্থনও করে আসছে। এ কারণে চীন একটি স্পষ্ট ও কঠোর বিবৃতি দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা এবং ভূখণ্ডের মর্যাদা সম্মানিত হওয়া উচিত। এই হামলা অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন যাতে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি না পায়, এবং অঞ্চলটির স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য আবার আলোচনার টেবিলে ফিরে আসা প্রয়োজন। বৈচিত্র্যময় অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক কারণে চীনের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো- যদি এই সংঘাত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে রূপ নেয়, তা হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বিপর্যয় ঘটবে, যা চীনের উপর নির্ভরশীল। চীনের আরও একটি বড় উদ্বেগ রয়েছে। বেইজিং দীর্ঘদিন ধরে একটি বহু মেরুকৃত বিশ্ব গড়ে তোলার চেষ্টা করছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব কম থাকে। চীন ইরানের শাসন ব্যবস্থাকে মার্কিন ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য হিসেবে দেখছে। এখন তারা চিন্তিত, যদি ইরানে কোনো শাসন পরিবর্তন ঘটে, তাহলে তা বৈশ্বিক জোটকে ওয়াশিংটনের পক্ষে পুনর্গঠন করতে পারে, চীনের পক্ষে নয়। (আল জাজিরা থেকে অনুবাদ)
চীনের কাছে ইরানের ভবিষ্যৎ কেন গুরুত্বপূর্ণ
কাত্রিনা ইউ, বেইজিং
বিশ্বজমিন
৩ মাস আগে
১ মার্চ (রবিবার), ২০২৬, ১০ঃ৫৫ (পূর্বাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%

Sakhawat
৩ মাস আগেচীন মূলত নিজেদের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দেয়। সরাসরি আক্রমণের শিকার না হলে তারা সাধারণত যুদ্ধে জড়াতে চায় না। আন্তর্জাতিক সংকটে তারা প্রায়ই সতর্ক ও হিসাবি অবস্থান গ্রহণ করে। যদিও অর্থনৈতিকভাবে দ্রুত উন্নতি করছে, তবুও বৈশ্বিক নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় তারা এখনো পুরোপুরি শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি। তাদের অস্ত্র বাড়ছে, পুঁজি বাড়াচ্ছে কিন্তু বন্ধু বাড়ছে না ।