অস্ট্রেলিয়ার ‘বড়’ নামদের নিয়ে ভাবছে না টাইগাররা

অস্ট্রেলিয়ার ‘বড়’ নামদের নিয়ে ভাবছে না টাইগাররা

ফন্ট সাইজ:

ট্রাভিস হেড, মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স, জশ হেজেলউড, স্টিভেন স্মিথ—ক্রিকেট বিশ্বের নামীদামি সব তারকাকে নিয়েই বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলতে নামছে অস্ট্রেলিয়া। তবে প্রতিপক্ষ শিবিরে যত বড় নামই থাকুক না কেন, সেসবের চাপ নিতে নারাজ বাংলাদেশ।

ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটি। ২০০৩ সালের পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটাই বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সফর। আর ২২ বছর পর ডারউইনে ফিরছে টেস্ট ক্রিকেট। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টটি অনুষ্ঠিত হবে ২২-২৬শে আগস্ট ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায়, যেখানে প্রথমবারের মতো টেস্ট গড়াচ্ছে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চক্রের অংশ হওয়ায় সিরিজটি পয়েন্ট তালিকার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাচকে সামনে রেখে পুরোদমে চলছে দুই দলের অনুশীলন। মঙ্গলবারের অনুশীলন শেষে দলের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেন বাংলাদেশের ফিল্ডিং কোচ আশিকুর রহমান। তার ভাষায়, অস্ট্রেলিয়ার চ্যালেঞ্জ সামলাতে পুরোপুরি প্রস্তুত টাইগাররা। তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ আমাদের ক্রিকেটাররা মানসিকভাবে প্রস্তুত টেস্টে লড়াই করার জন্য। ক্রিকেট গোল বলের খেলা। এখানে আমরা মানসিকভাবে ও শারীরিকভাবে দুইভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। এটা (প্রতিফলন) দেখা যাবে মাঠে।’

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সিরিজ হওয়ায় নিয়মিত একাদশের কাউকে বিশ্রাম বা ছুটি দেয়নি অস্ট্রেলিয়া। পূর্ণশক্তির দল নিয়েই বাংলাদেশের মুখোমুখি হচ্ছে তারা। ফলে হেড, স্মিথ কিংবা স্টার্ক-কামিন্সদের মতো তারকাদের বিপক্ষেই লড়তে হবে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে। তবে প্রতিপক্ষের তারকাখ্যাতি নিয়ে ভাবতে নারাজ আশিকুর। তার মতে, যেকোনো পরীক্ষার জন্যই প্রস্তুত বাংলাদেশ দল। তিনি বলেন, ‘আসলে খেলাটা কোকাবুরা বলের। এখানে নামের কোনো পরিচয় নেই। আমাদের ক্রিকেটাররা অনেক অভিজ্ঞ। অনেকদিন ধরেই টেস্ট ক্রিকেট খেলছে। তারা জানে কাকে কখন কীভাবে মোকাবেলা করতে হয় ও কীভাবে ক্রিকেটটা খেলতে হয়।’ ডারউইনের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া নিয়েও আশাবাদী বাংলাদেশের এই কোচ।

এর আগে প্রস্তুতি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের বিপক্ষে ৫৪ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস ও ৩৮ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ, তবে সেই ম্যাচকেও ইতিবাচকভাবেই দেখছেন আশিকুর। তিনি বলেন, ‘অনেক ভালো হয়েছে যে আমরা একটা প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলেছি এখানে। ফলো-আপ করা হয়েছে যে কে কোথায় কোন জায়গায় ভালো করছে। প্র্যাকটিস ম্যাচে ওরা খুব ভালো ফিল্ডিং করেছে, ভালো ক্যাচ ধরেছে।’ কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়াটাকেই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মনে করেন তিনি। তার ভাষায়, ‘কন্ডিশন আমাদের মনের ভেতরে। আমি যত দ্রুত পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় মানিয়ে নিতে পারব, তা নিজের জন্য ভালো।’


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন