বিসিবিতে ফের পরিবর্তনের আভাস

বিসিবিতে ফের পরিবর্তনের আভাস

ফন্ট সাইজ:

২০২৪-এর ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) অস্থিরতা কাটছে না। দীর্ঘ ১৬ বছর নাজমুল হাসান পাপনের রাজত্বের পর গত ১৬ মাসে দুইবার পরিবর্তন এসেছে বোর্ড নেতৃত্বে। বর্তমানে তৃতীয়বারের মতো বড় ধরনের রদবদলের জোর গুঞ্জন চলছে ক্রিকেট পাড়ায়। বিশেষ করে ২০২৬-এর ১২ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর এই আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। নবনিযুক্ত ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বর্তমান বিসিবি নির্বাচনকে ‘অবৈধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। গুঞ্জন উঠেছে, বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল পদত্যাগ করতে পারেন। যদিও বিসিবি সহসভাপতি ফারুক আহমেদ এই খবর অস্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বুলবুল বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় আছেন এবং ঈদের পর দেশে ফিরবেন। তবে সরকারের কঠোর অবস্থান এবং আইনি জটিলতার কারণে বর্তমান নির্বাচিত বোর্ডের স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় বাড়ছে। গুঞ্জন রয়েছে, সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে কেন্দ্র করেই এই পরিবর্তনের নকশা সাজানো হচ্ছে। সবশেষ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে তামিম ও তার প্যানেল ভোট বর্জন করেছিল। এখন জাতীয়তাবাদী শক্তির সমর্থনে তামিমই হতে পারেন বিসিবি’র পরবর্তী কণ্ডারি। তবে ১৬ মাসের সংক্ষিপ্ত সময়ে বিসিবিতে যে পরিমাণ টানাপোড়েন দেখা গেছে, তা দেশের ক্রিকেটের ইতিহাসে নজিরবিহীন। মূলত যোগ্য নেতৃত্ব এবং স্বচ্ছ নির্বাচনের দাবিতেই এখন উত্তাল মিরপুরের হোম অব ক্রিকেট। বিসিবি’র বর্তমান কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সাবেক অধিনায়ক ও পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, ‘বিসিবিতে পরিবর্তন আসতেই পারে যদি প্রয়োজন হয়। কারণ এই ক্রিকেট বোর্ডটা বিগত কয়েক মাস হয়েছে, আমি মনে করি না ঠিকঠাকভাবে চলছে। ঘরোয়া ক্রিকেট হচ্ছে না, আমরা বিশ্বকাপ খেলতে পারিনি, আরও অনেক কিছু হচ্ছে যেগুলো ক্রিকেটের জন্য ভালো নয়। যারাই এসেছে তারা অবশ্যই চেয়েছেন ভালো কিছু করতে কিন্তু তারা হয়তো পারেননি। নতুন সরকার ও নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী উনার মতো করে চিন্তা করবেন কারা আসলে ক্রিকেটের জন্য ভালো হবে। দিন শেষে খেলাটা মাঠে সচল থাকাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয় যোগ্য মানুষ যোগ্য জায়গায় আসুক, এটাই সবচেয়ে বড় কথা।’ সুজন মনে করেন, নির্বাচিত বোর্ড হলেও যদি তা নিয়ম ভেঙে গঠিত হয়, তবে সরকার পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল এখন সংগঠক হওয়ার পথে হাঁটছেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় একটা জিনিস বিশ্বাস করি আপনাদের সঙ্গে আমাদের ‘ভালোবাসা ও মান-অভিমানের’ সম্পর্ক। ভালো খেললে পছন্দ করবেন, খারাপ খেললে খারাপ বলবেন। এটাই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক। যদি
সমালোচনা আমি নিতে না পারি, তবে আমরা শিখবো না। খালি ভালোবাসা পেতে থাকলে কী ভুল করছি তা কোনোদিনও জানবো না। আমরা ভাগ্যবান যে এমন একটা সরকার পেয়েছি যাদের প্রথম তিন-চার পয়েন্টের মধ্যে একটি ছিল স্পোর্টস। আমি ব্যক্তিগতভাবে খুবই আশাবাদী যে খেলাধুলায় এখন আমরা বড় পরিবর্তন দেখবো। বর্তমানে কোনো স্পোর্টসই কাঙ্ক্ষিত লেভেলে নেই। আপনারা (সাংবাদিকরা) ক্রিকেটকে জনপ্রিয় করতে যে কাজ করছেন, তা আগামীতেও দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য সহায়ক হবে।’ বিসিবি’র বর্তমান অচলাবস্থা কাটাতে বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে সুসম্পর্ক প্রয়োজন বলে মনে করেন ফারুক আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমরা ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট যারা আছি, ক্রিকেট বোর্ড থেকে শুরু করে খেলোয়াড় ও সাংবাদিক্তসবার সাথে একটা সুসম্পর্ক থাকা খুবই জরুরি। কেননা আমাদের সবার লক্ষ্য কিন্তু একটাই, বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নতি। এই জন্য আরেকটু সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক হলে ভালো হয়।’ বুলবুলের পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সঙ্গে তার কথা হয়েছে এবং তিনি দায়িত্ব ছাড়ার কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি।

Parvez

৩ মাস আগে

Tamim Iqbal shaheb o valo option na karon uni onek beshi emotional. WC 2023 er matro koiek mas age retirement declare korlen jar karone finally Bangladesh khub i baje result korlo WC 2023 e. Unar joinno hoito tough situation chilo kintu unar emotional balance thakle uni situation ke tackle kore WC er pore retire korte parten. Hotath kore uni retirement korate amader opening e back up option kaj kore nai ar khub taratari proittek match e amader middle order ke batting e namte hoyeche. Total echo system ta elomelo hoye poreche. Otocho uni jodi WC er pore retire korten, ete kore amader desher name and fame evabe hampered hoto na.
Tai current government jodi change korte i chai, oinno arekjon ke choose kora better hobe jar maturity Tamim saheb er cheye valo.

মন্তব্য করুন