সিডনিতে ভিএআর ক্লাসে নারী ফুটবল দল

সিডনিতে ভিএআর ক্লাসে নারী ফুটবল দল

ফন্ট সাইজ:

আজ থেকে শুরু হচ্ছে নারী এশিয়ান কাপ। এশিয়ার সেরা ১২ দলের এই মঞ্চে এবারই প্রথম খেলতে নামছে বাংলাদেশ। নারী ফুটবলের এই ঐতিহাসিক অভিযানে বড় অর্জনের চেয়েও নিজেদের সেরাটা দেওয়ার লক্ষ্য আফঈদা-ঋতুপর্ণাদের। তবে এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের সামনে মাঠের প্রতিপক্ষের চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি-ভিএআর ও ভার্চুয়াল অফসাইড লাইন। গতকাল এই দুই প্রযুক্তির সঙ্গে মেয়েরা পরিচিত হন।
এবারের নারী এশিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর। বাংলাদেশের কোনো ফুটবলারই এর আগে ভিএআর প্রযুক্তির ম্যাচে খেলেননি। এর সঙ্গে থাকছে ‘ভার্চুয়াল অফসাইড লাইন’ (ভিওএল)। এই প্রযুক্তিতে টু-ডি ও থ্রি-ডি ভিজ্যুয়ালাইজেশনের মাধ্যমে অফসাইডের সিদ্ধান্ত একেবারে নিখুঁতভাবে দেয়া হয়। খেলোয়াড়ের শরীরের কোনো অংশ সামান্য এগিয়ে থাকলেও তা স্পষ্টভাবে ধরা পড়বে। এই নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে মানিয়ে নিতে গতকাল সিডনিতে ফুটবলারদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। নারী দলের মিডিয়া ম্যানেজার সাঈদ হাসান জানান, ‘এএফসির রেফারি এডুকেটর ফুটবলারদের ভিএআর নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার ক্লাস করিয়েছেন। ফুটবলাররা বিষয়টি নিয়ে আত্মবিশ্বাসী।’ কোচ পিটার বাটলার দীর্ঘদিন ধরে দলকে ‘হাইলাইন ডিফেন্স’ কৌশলে খেলাচ্ছেন। তবে এশিয়ান কাপে প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা বিবেচনায় কৌশলে পরিবর্তনের ইঙ্গিত তিনি অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার আগেই দিয়েছিলেন। ভিএআরের যুগে হাইলাইন ডিফেন্স বেশ জনপ্রিয় হলেও এর ঝুঁকিও অনেক। ভিএআর প্রটোকল অনুযায়ী, অফসাইড হলেও খেলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত রেফারি বাঁশি বাজান না। এক মুহূর্তের অসতর্কতায় গোল হজম করতে হলে তার চড়া মূল্য দিতে হতে পারে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন