দেওয়ানগঞ্জে নদী ভাঙনের স্থায়ী সমাধানের দাবি নতুন সরকারের কাছে

দেওয়ানগঞ্জে নদী ভাঙনের স্থায়ী সমাধানের দাবি নতুন সরকারের কাছে

ফন্ট সাইজ:

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা যমুনা, ব্রহ্মপুত্র ও জিঞ্জিরাম নদীবিধৌত। গ্রীষ্ম, বর্ষা কিংবা শীত সব সময়ই নদী ভাঙনের কবলে পড়ে উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকাগুলো। সম্প্রতি যমুনার ক্রমাগত ভাঙনের কবলে হাজারীগ্রাম, হুদার মোড়সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। নদীতে বিলীন হয়েছে দেওয়ানগঞ্জ-খোলাবাড়ী সড়কের হুদার মোড়ের অন্তত ১০০ মিটার। দেওয়ানগঞ্জবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে গত শুক্রবার বিকালে জামালপুর-১ আসনের নবনির্বাচিত এমপি, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের কাছ থেকে নদী ভাঙনের সমাধানের আশ্বাস পাওয়া গেছে। সরজমিন দেখা যায়, হাজারীগ্রামের উত্তর পাশে এবং খোলাবাড়ীর দক্ষিণ পাশে হুদার মোড় এলাকায় সড়কটির অন্তত ১০০ মিটার নদীতে বিলীন হয়েছে। মানুষজন খানিকটা দূরে বসতবাড়ি, আবাদি জমি ভেঙে চলাচল করছে। ভাঙা সড়কের দুই পাশে গণপরিবহন থামিয়ে রেখেছেন চালকরা। যাত্রীরা সড়কের একপাড়ে নেমে হেঁটে অন্যপাড়ে গিয়ে আবার গণপরিবহনে উঠে চলাচল করছেন। এতে একদিকে তাদের অধিক সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে, অন্যদিকে পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ। তা ছাড়া ওই সড়কের আশপাশের ফসলি জমিও যাচ্ছে নদীর গর্ভে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বিগত ১৭ বছরে পার্শ্ববর্তী বকশীগঞ্জ উপজেলা থেকে আওয়ামী লীগের এমপি নির্বাচিত হওয়ায় অবহেলিত ছিল দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা। নদী ভাঙনে নেয়া হয়নি স্থায়ী ব্যবস্থা। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে প্রতি বছর শতাধিক বিঘা আবাদি জমি বিলীন হয়। আগে এসব জমিতে ধান, পাট, ভুট্টা, আখসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করতেন কৃষকরা। নাব্য হ্রাস, নদীর তলদেশ ভরাট, নদী থেকে বালু উত্তোলনসহ কয়েকটি কারণে নদ-নদী ভাঙছে। তার সঙ্গে বিগত বছরগুলোতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দুর্নীতিও একটা কারণ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুরাদ হোসেন বলেন, যমুনা নদীর ভাঙন বিষয়ে জেলায় অবহিতকরণ করা হয়েছে। ভাঙন রোধ বড়োসড়ো প্রকল্পের প্রয়োজন। অস্থায়ী ভাঙন রোধ করতে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খুব শিগগিরই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন