ইরান থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনাকে টার্গেট করে ক্ষেপণাস্ত্র চালানো হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন প্রভৃতি। তবে তাদের দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিকে টার্গেট করার বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাইরাইন। তারা জানিয়েছে, ইরানি হামলার জবাব দেয়ার ‘পূর্ণ অধিকার’ তারা সংরক্ষণ করে। আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তাদের দেশে টার্গেট করেছে। তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, আবুধাবির একটি আবাসিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ (শার্পনেল) পড়ে কিছু বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং এ ঘটনায় এশীয় বংশোদ্ভূত এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মন্ত্রণালয় বলেছে, এই হামলার আমরা সর্বোচ্চ ভাষায় নিন্দা জানাই। বেসামরিক স্থাপনা, অবকাঠামো ও জাতীয় প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা রাষ্ট্র সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিপজ্জনক উত্তেজনা সৃষ্টি করে এবং এটি কাপুরুষোচিত কাজ, যা বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলে।
আরও বলা হয়েছে, এই হামলা জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। এই উত্তেজনার জবাব দেয়া এবং নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়ার পূর্ণ অধিকার রাষ্ট্র সংরক্ষণ করে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশটি ‘যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত ও সক্ষম।’
অন্যদিকে বাহরাইন ইরানের চালানো হামলাকে বলছে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’। বাহরাইনও নিশ্চিত করেছে যে তাদের ভূখণ্ডে বিভিন্ন স্থাপনা ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে, যা তারা ‘ দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার স্পষ্ট লঙ্ঘন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। কাতারের বার্তা সংস্থার বরাতে বলা হয়েছে, বাহরাইন এই হামলাকে ‘বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ আক্রমণ’ বলে উল্লেখ করেছে এবং বলেছে এটি দেশটির নিরাপত্তা ও নাগরিক ও বাসিন্দাদের সুরক্ষার প্রতি সরাসরি হুমকি।

S.M. Sharfuzzaman
৩ মাস আগেআরব দেশগুলোর উচিত ইসরায়েল আমেরিকার তাঁবেদারি থেকে বেরিয়ে আসা।