গত বছরের ২১শে এপ্রিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড চুক্তি থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। যদিও সে সময়ে তার সেই আবেদনপত্র গ্রহণ করেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এরপর থেকে পরবর্তী ১ বছর পর্যন্ত নিয়মিত সম্মানী পেয়ে এসেছেন দেশসেরা এই আম্পায়ার। তবে দীর্ঘ অপেক্ষার পর কার্যকর করা হয়েছে আম্পায়ার সৈকতের সেই পদত্যাগপত্র। ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র থেকে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। বোর্ডের আম্পায়ার্স বিভাগের একজন কর্মকর্তাও জানান তিনি খবরটি শুনেছেন, তবে এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নন।
জানা গেছে, সৈকত নিজেও আর বোর্ডের এই চুক্তিতে থাকতে ইচ্ছুক নন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি’র এলিট প্যানেলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। বিশ্বস্ত তথ্যে উঠে এসেছে যে, বোর্ডের বাঁধাধরা চুক্তিতে না থাকলেও দেশের মাটিতে ঘরোয়া আসরে আম্পায়ারিং চালিয়ে যেতে আগ্রহী সৈকত। আন্তর্জাতিক ব্যস্ততার ফাঁকে দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে সেবা দিতে তিনি সব সময় প্রস্তুত আছেন। মাঠের আম্পায়ারিংয়ে তার এই সিদ্ধান্ত বেশ প্রভাব ফেলতে পারে। আইসিসি’র এলিট প্যানেলে জায়গা পাওয়া প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে সৈকত বিশ্বমঞ্চে ইতিমধ্যে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার ক্রমবর্ধমান ব্যস্ততার কারণেই মূলত বোর্ডের নিয়মিত চুক্তি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
